কবিতার সাথে কবির প্রেমের সংসার প্রতিটি লাইনের ভাঁজে গড়া সুখ দুঃখের গল্প, বারান্দায় শত শব্দে খাসা হাজার মুহূর্ত ভরা কবি ডুব দেয় কবিতার নব জন্মানো চোখে, কবিতার মায়াভরা মুখ খানি
বোনের আনা কুকুর ছানা হীরা তাহার নামটি, গায়ের গতর তুলতুলে তার পরিবারের প্রাণটি। সাদা রঙের লোমের বাহার থাকতো মোদের ঘরে, ছোট্ট ছিলাম আমরা সবাই অতীত মনে পরে। চঞ্চলে ওই মিষ্টি
রানীর বিয়ে হবে আজি রাজা দুরু দেশে! হাতি ঘোড়া সানাই নিয়ে স্বপ্নপুরে আসে। দেশের প্রজা সামিল হবে গণ্যমান্য ব্যক্তি! হীরা পান্না নিবে রাজা রানীর সাথে চুক্তি। বিয়ে হয়ে গেল রানীর
তুমি যদি এতো ভালো লোক হবে তবে তোমার ঔরসে চোর জন্ম নিলো কোত্থেকে ? তুমি যদি এতো ভালো হবে তবে তোমার ঔরসে জন্ম নিয়ে কিভাবে বিধর্মীর সাথে আলিঙ্গন করে ?
অলস সময় কাটছে এখন উঠি সকাল বারোটা, ঘুমের নেশা কাটে না যে দুপুর নাস্তা পরোটা। বিকালের খাবার রাতে হবে মধ্যভোজন ঝিমাতে, বদ্ধ ঘরে আমরা সকল যাচ্ছে সময় ঘুমাতে। রাতে সবাই
আহ কতদিন হয়নি বাসা ভালো হয়নি কোনো চোখের চোখাচোখি । লাল করেছি ঢেকেই যত কালো রাগ করেছি অভিমানি সখি ।। ঠোঁট কি তোমার আগের মতোই টানে চোখ দুটো নয় খাচ্ছে
নতুন করে ধরবো হাল উড়াতে হবে নতুন পাল। ছাত্র সমাজ নতুন দল সবাই মিলে সঙ্গে চল। কেউ না আসে দলের মাঝে পাঙ্গানিতে সকাল সাজে। মিলেমিশে করবো কাজ চলবে মোদের নতুন
জিতে গেছি জিতে গেছি বলে খেলার মাঝে, খেলা শেষে লক্ষ্য করে ক্লাইম্যাক্স বাকি আছে। মধ্য লগন পাড়ি হলে আনন্দেরই ভেলা, গোলের রানের সেঞ্চুরিতে জিতে গেছে খেলা? স্বাধীন হলো ঘুমিয়ে আছি
কালের চক্রে পাল্টে যাবে যত অতীতকথা, ইতিহাসের পাতায় পাতায় রবে কর্মের যথা। দেশের ভারটা কাঁধে নিয়ে শোষণ করো যদি, উঠবে জেগে অরুণ তরুণ ছাড়তে হবে গদি। স্বৈরাচারীর শোষণ নীতি চলে
লাল সবুজের চিত্রা ভূমি রক্ত ভেজা মাটি, সবুজ যেন রঙিন লালে শত্রুর ছিল ঘাঁটি। লাগাম ছাড়া পণ্যের দুয়ার ক্রেতা অন্ধ বোকা, সুযোগ পেয়ে হায়না গুলো দিচ্ছে এখন ধোঁকা। হত্যা গুজব