আব্বু তুমি কেন লিখ কবিতা যে এত! এত লেখা লেখে কি বা টাকা আনবে কত? তোমার লেখা কারা পড়ে বুঝিনা যে আমি, উপহারে ঘর ভরেছো কোথায় পেলে তুমি? ছড়ায় ছড়ায়
পাঠ্য পুস্তক নিয়ম কানুন পাল্টায় বারে বার, ভাবছে তারা এসব দেখেই টনক নড়বে কার! দেশের শিক্ষায় এমন বদল মানতে রাজি নয়, কোন চক্রান্তে লিপ্ত মুসলিম শিক্ষার হচ্ছে ক্ষয়। মুসলিম ধর্মের
বেলুন নিবে রঙিন বেলুন একটি কিনে নাও, বেলুন বিচে খাবার কিনব আহার খেতে দাও। পেটটা ভরলে অনেক খুশি আর কিছু না চাই, রাস্তার মোড়ে বাজার ঘাটে বেলুন বিচি তাই। বেলুন
দিনের আলো ফুরিয়ে যাচ্ছিল। পশ্চিম আকাশে সূর্যের শেষ কিরণগুলি মিশে যাচ্ছিল গোধূলির রঙিন আলোর সাথে। ধীরে ধীরে রাতে অন্ধকার নেমে এলো, সরু রাস্তায় আমি একাই চললাম। মাঝে মাঝে খড়মড় শব্দে
এমনি এক রথের দিনের স্মৃতির বেদনাদায়ক কথা পড়লে মনে দু-চোখ ভেজে উথলে উঠে ব্যথা। ছোট্ট ছিল তখন আমার রাখী সোনা মেয়ে বায়না ছিল খেলনা কিনবে রথের মেলায় গিয়ে। বারবার সে
প্রেমিক হতে চেয়েছিলাম- হতে পারিনি তবে শিখেছি ভালোবাসার নিখাদ বিনম্রতা। বলেছিলে ভালোবাসার পরীক্ষায় যদি উত্তীর্ণ হতে পারি যদি তোমার প্রশ্নের উত্তরে গড়তে পারি পবিত্র বিশ্বাস। প্রেমিক হয়ে কাটাতে পারবো অবশিষ্ট
সে আমায় বলেছিল – সে আমার কবিতা হবে! ছন্দে ছন্দে বুনে যাবে কথার জামদানি, শব্দেরা খেলা করবে শব্দের বুকে! সে আমায় বলেছিল – সে আমার কপালের টিপ হবে! গাঢ় চুম্বনের
রাত এসে কয় কানে কানে ঘুম আসে না তোর, স্বপ্ন দেখিস রোম্যান্টিক আর বাড়াস মনের জোর । বাড়াস মনে তৃষ্ণা প্রেমের তার কাটে না ঘোর, মনের জ্বালা কেমনে মিটাস প্রিয়র
নন্দিত আবীরে প্রাণবন্যার বাঁধনহীন ঝংকার সপ্ত সাগরের উদ্দাম ঢেউমালা, নৃত্যমুদ্রার তাল লয় ভোরের বাতাসে রোদের ঘ্রাণ,অলিন্দে চঞ্চল চড়ুই দম্পতি আবেগ উচ্ছ্বাস,আপন ভাষায় প্রেমশৈলি তানপুরাতে রহস্য লহরী সুরের মায়াবী আবেশ ডাহুক
রিদম সুরে বাজনা বাজে কাব্য সুরের বাণী, কাঁচা মাটির টিনের চালে দারুন শব্দ ধ্বনি্। টিনের ছাদে বৃষ্টি পড়ে ঝন ঝনা ঝন শব্দ, বৃষ্টির দিনে চিড়া, মুড়ি সবাই তাতে জব্দ। পাকা