শীত গরমে মিশে গেছে বৃষ্টি আসে থামে, আষাঢ় মাসে বর্ষা হয়ে শরীর যাচ্ছে ঘামে। ফোটায় ফোটায় ঘামের জলে ঝাপসা দাবদাহ, শুকনো শরীর ভিজে যায় যে লোডশেডিং এর বাহ। শ্রমজীবী, কর্মজীবী
কলম ছেড়ে নেতার ডাকে লাঠি বৈঠ্য হাতে, বালক তুমি বোকার স্বর্গে হাঁটো দিবারাতে। দাপট দেখাও আজি তুমি নেতার শক্তি বলে, ভুলের মাশুল গুনতে হবে সময় তবে হলে। চলছো আজি লাগামছাড়া
জল জঙ্গল, গাছপালা রোদ্দুর, অরণ্য পাখির গান শুনতে শুনতে, উদাসী ধান ক্ষেত পেরিয়ে, শহর মফস্বল ছাড়িয়ে দ্রুতগামী ট্রেন ছুটে যাচ্ছিল, এক স্টেশন ছেড়ে অন্য স্টেশন, কেউ কেউ নেমে যাচ্ছিলেন, নতুন
চোখ স্থির,সুখ বিবর্ণ,আকাশ মেঘাচ্ছন্ন আষাঢ় নিজস্ব গণ্ডিতে রূপবান– আষাঢ়ের স্বভাবে কখনো রোদ,কখনো বৃষ্টি মন কেনো অস্থিরতায় দাপাদাপির কষাঘাতে ! কান পাতলে নীলিমায় শোনা যায় মানবতার দুমড়ে-মুচড়ে ক্রন্দনের আওয়াজ! সভ্যতার বীভৎস
রূহানী জগতে ছিলাম ভালো করেছি স্বীকার বশ্যতা সৃষ্টিকর্তার জেনেছি মোরা তথ্য এমন কোরআন হাদীসের আলোকে। সেখান হতে বাপের মাধ্যমে এলাম মায়ের উদরে সময় হলে একদিন আবার এলাম চলে মায়ের মাধ্যমে
ঘাটলা বাধা পুকুর পাড়ে হালকা সবুজ পানি, শ্যামল ছায়ায় পাতায় ঘেরা ঝিনুক লুকায় মনি। কোলা ব্যাঙের বসতবাড়ি মৎস্য রাজের খেলা, খোকা-খুকু পুকুর ধারে চড়ুইভাতির মেলা। বড় বড় গাছের শাড়ি টলমলে
মাটি ভেদ করে উঠা সেই বীজ হতে চারা আর চারা হতে গাছ হয়ে উঠার গল্পটা ঠিক আমাদের মতো, ফল দিতে দিতে মরে যাওয়া গাছটির জন্মই হয় পৃথিবীর সাথে লড়াই এর
আরব দেশের বসতবাড়ি সর্প রাসেল ভাইপার, আতঙ্কে আজ বাংলাদেশে জনগণ যে হাইপার। শত বছর পূর্বে ছিল বিলীন উপজাতি! কৃষক চাষা, জেলে মাঝি হচ্ছে জীবন ক্ষতি। অতি বিষের ওষুধ নাই যে
মৃত্যুও কী করুণা করতে পারিসনা আমায়..? আসতে কী পারিসনা, হুট করে
আমলা গণে কামলা মেরে দেশটা চুষে খাচ্ছে, মামলা খেয়ে রাজার বেশে বিদেশ চলে যাচ্ছে। সীমাহীন আর দুর্নীতিতে চলছে আজি দেশ, লুটপাটে নেয় ভাগবাটোয়া দেশটা হচ্ছে শেষ। কতো কাণ্ড ধামাচাপা ছাগল