পেনশনভোগী জীবন যেন যাবে ভালো মোর, দিনগুলো যে কাটবে ভালো দেহে পাবো জোর। সেই ভাবনায় ভাবতে তবে লাগতো ভালো বেশ, কেনো তবে পেনশন পেতে জীবন হচ্ছে শেষ। সিঁড়ি বেয়ে উঠতে
লাল সবুজের ছড়া পত্র ছড়ায় ছড়ায় কথা, মুখরিত ছড়া পাতা লিখছে দারুন যথা। ছড়াকারের বর্ষা বইছে কলম কথা বলে, নানান রকম হাতের ছোঁয়ায় কলম কালি চলে। পাতায় পাতায় রঙিন কাগজ
সদ্যবিধবা মল্লিকা হারায়েছে পতি, চারিদিকে লোভাতুর হায়েনার দৃষ্টি! অস্তিত্বহীন জীবন বিধাতার সৃষ্টি, আপনারে বাঁচাবারে কেঁদে ফিরে সতী। অপয়া অলক্ষ্মী বলে গাল পাড়ে লোকে! জীবন সঙ্কটে তার প্রাণ বুঝি যায়! বিপন্ন
বৃষ্টি হচ্ছে ঝড় প্রভা কুয়াশাতে হানা, বর্ষা নিঝুম আষাঢ় কালে বাহির যেতে মানা। বজ্রপাতে শিলা বৃষ্টি সাদাকালো রবি, মুষলধারে পরছে সদা ঝাপসা কাঁচের ছবি। প্রজননের নতুন শপথ রহমতের বৃষ্টি, চলো
হে সুনীতি, ফিরে এসো এই বাংলায় আহা, কতোকাল দেখি না তোমায়, এই মন তোমাকে ফিরে পেতে চায় নাকি, পালিয়ে গিয়েছো তুমি অন্য কারো ঘরে অতিদূর কোনো নির্বাসনে, অন্য কারো হাত
আলসে পাড়ার আলসে গুলো বসলো চেপে ঘাড়ে ঝুমঝুমাঝুম ঘন বরষার দিনে মন দিয়েছিলাম তারে । সে যে আমার মনের প্রেমিক মন আকাশের মেঘ বারোমাসেই ঝরে পড়ে সে ইচ্ছে মতো বেগ
মানুষ চেনা নয়তো সহজ যতই থাকুক কাছে, কথার ছলে মনটা কাড়ে দুর্নাম ছড়ায় পাছে। আপন মানুষ গুলো শুধুই স্বার্থ নিয়ে চলে, বিপদে তাই উদ্ধার হতে আসে নানান ছলে। দেখায় ভীষণ
ধরাতে ক্ষমতা কারো চিরস্থায়ী নয়, উত্থান আছে যাহার,পতন তার হয়। গর্বে উঠে সূর্য,তেজে ছড়িয়ে কিরণ, মোহিত করে আলোয় ভরায় ভুবন। অস্তে তার পরাজয় পৃথ্বী হয় আঁধার, সমকাল অমানিশা শুধে তার
বিকেল হলে নামাজ শেষে পড়াশোনার পাঠে, নাটাই ঘড়ির সুতো লয়ে ধান ক্ষেতেরই মাঠে। দল বেঁধেছি ছেলেপুলে খালি পায়ে চলে, দূর গগনে ঘুড়ি উড়ায় মেঘের কথা বলে। আষাঢ় বাদল আকাশ কালো
দাবার চাল চালছি তবে জিতবো খেলা ভেবে, রাজার পাশে মন্ত্রী আছে হারায় কে বা দেবে॥ গজের চালে দম লেগেছে ঘোড়ার চাল বাকি, সৈনিক যে এগিয়ে আছে বোটের কথা রাখি॥ একটা