মুর্শিদাবাদ সিল্কের শাড়িতে আজকে বড় অপরুপা লাগছিল শাশ্বতীকে, নীলাঞ্জন পাশাপাশি হাঁটছিল। সিনেমা হলের সামনে একটা ফোয়ারা ছিল, রাস্তার দু’ধারে কৃষ্ণচূড়ার গাছ ছিল, বসন্তকালে কী যে অপরূপ লাগতো! সার্ভিস মার্কেটে জনতা
আগে বুঝি পরনিন্দা, না সমালোচনা। একটা মন্দ, অন্যটা উপকারী শেষেরটাই তাহলে আলোচনা করি। কবি,লেখক,গায়ক সব পেশার লোকের কাজের মান যাছাইয়ে সমালোচক দরকার। যদি সমালোচনা না করি ভালমন্দের ফারাকটা হবে কি
জীবন এক দার্শনিক কণা সবাই দেখে পৃথিবী দিগন্তে হারায়— পুতুল নাচের ইতিবৃত্ত মনোরম আসলে কি পৃথিবী জীবন থেকে পালায়? সবার দেখার মাঝেও ভুল থাকে অথচ তা প্রমাণিত, প্রাজ্ঞতার সীমানায়– কতো
অগোচর দূরে থাক, প্রকাশ্যে খুঁজতে হয় আজ সততা, পাবে না খুঁজে কোথাও এতটুকু নিঃস্বার্থের নৈতিকতা। ভাল থাকতে চায়,সৎ হতে চায়, পারে না তাল মিলাতে, যুগের সাথে তাল মিলাতে ব্যস্ত সবাই
এক অতি মহাবৃত্তাকার সৌরপরিমন্ডল! অস্তিত্বের বলয় রেখায় আমার প্রদীপ্ত আকাশ আপন হৃদয় খুঁড়ে দিয়েছে উঁকি, নক্ষত্রের দ্যুতি পেড়িয়ে এসেছে সহস্র সহস্র আলোকিত আলোকবর্ষের দীর্ঘ জামানা হারিয়েছে কত দীর্ঘ রাতের দীর্ঘ
মরণ থেকে পালাও তুমি মরন তোমারে লইবে ঘিরি, যদিও সুদূর আকাশ পানে লুকাও সেতাই লাগিয়ে সিঁড়ি। এই মহা রোগের চিকিৎসক নাই নাই সে ঔষধ জগতে, খুঁজিয়া কাতর হইলে কি হবে
কনে বিদায় দেওয়ার কালে বুকে জরিয়ে পিতামাতার কান্না ভাই বোনের আহাজারি। বাংলাদেশ ছাড়া কোথায় পাবে এমন মমতার ছড়াছড়ি? সকালে ছেড়ে দিয়ে গরুর পাল মাঠে খেতে সবুজ ঘাস। দুপুরে গোসল দিয়ে
সুদূর সিন্ধু মরুর পাড়ে শোনো শেষের গান আমি নয়ন ভরা অশ্রু নিয়ে ভাঙতে এলাম মান। আমি দাঁড়িয়ে আছি বাহির দ্বারে বক্ষ ভরা অভিসারে প্রাতের আলো অন্তে এসে হলো সবে ম্লান
কতোটা হাঁটলে পথিক বলবে কতোটা ভালোবাসলে প্রেমিক বলবে কতোটা পুড়ে ছাই হলে খাঁটি হবো; এ-সব প্রশ্নের জবাব তোমায় দিতেই হবে। পিছুটান ছিঁড়ে হেঁটেছি পিছন ফিরে একটিবারও তাকাইনি, সুগন্ধিমাখা ভাঁজকরা রুমাল
বুঝবে সেদিন থাকবোনা যেদিন কতটা ভালোবাসতাম, যখন যাহা বলেছো মানা করিনি সময়মতো হাতে পেয়েছো। যেদিকে খুঁজিবে পাবেনা আমাকে থাকবো অনেক দূরে রেখে যাওয়া স্মৃতি বাড়াবে প্রীতি আসবোনা আর ফিরে। বুঝবে