তেল পানি ভরে দিছে গাড়ি ছেড়ে যাবে সুদূর অজানায়, ব্রেক বিহীণ গাড়ি চলছে অজ্ঞাত বাড়ি,থামবে কোথায়! নাই টিকেট নাই স্টেশন, শুধুই পথে পথে স্পিড ব্রেকার, রিটার্ন টিকেটে এসেছে ধরায়,সময় হলে
এক থেকে নব্বই হলাম চোখের কোণে জল , ছোট বেলায় দিঘির জলে তুলেছি শতদল । সরোবর আর দেখিনা চারিদিকে রঙ্গ , ভালো নেই তুমি আমি ভালো নেই বঙ্গ । তখন
সাড়ে তিন হাত মাটির দেহে আছো মন প্রাণ লুকিয়ে, সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে যাবে মাটির দেহ ঘুমিয়ে। ভোলা মন, তোমার আমার চির বসত সে মাটির ঘর, মাটির দেহ মাটির
নরম দুর্বা ঘাসে মোড়ানো গ্রামের মেঠোপথে নাঙ্গা পায়ে দাবড়িয়ে বেড়ানোর সেই সুখ স্মৃতি মনের গহীনে আজও দোলা দিয়ে যায়। আশ্বিনের শেষে ভোরের মৃদুমন্দ বাতাসের সাথে মুক্তার মতো কুয়াশাজড়ানো গুল্মলতাগুলো আষ্টেপৃষ্টে
ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে শুনি মায়ের কান্না দৌড়ে এলো ছোট বোন মাইসা রাইসা পান্না। চেয়ে দেখি মায়ের হাতে বকুল ফুলের মালা , আরো আছে ফুলের ঝুড়ি পাঁপড়ি ভরা ঢালা।
তোমার জন্য আমার হৃদয় ক্ষত জননী ওগো জন্মভূমি, জ্বলেছি আমি বেদনার লেলিহান শিখায়; ক্ষমা করো করো মার্জনা আমায়, আমার অনুযোগ কিংবা অভিযোগও নেই। বিশ্বাস করো; দালালি আর চাটুকার ভরে গেছে
আমার একটা তুমি আছো, জানে নাতো কেউ বক্ষ মাঝে জমে শুধু চাপা কান্নার ঢেউ। না চাইতেই তুমি আস সুখ পাখিটা কই? সুখ পাখিটা ধরতে গিয়ে তোমায় শুধু পাই। যত ভাবি
এ মনতো কথা ছিলো না, ভালোবেসে কাঁদাবে আমায় অঝোর ধারায় দুচোখে অশ্রু ঝরবে, তুমি বলেছিলে তখন এ হাত ছাড়বেনা কখনো তাহলে আজ কেন তুমি দূরে চলে গেলে। বুক ফাটা কাঁন্নার
এত হিংসা্ কেন বন্ধু তোমার সর্বক্ষেত্রে সকাল বিকেল কাটাও তুমি কোন সে কাজে? দান্দাবাজি আড্ডাবাজি পুরাই মিছে জান তুমি সফলতা আসে কিসে? দেহটাকে খাটাও তুমি কর্মে কর্মে ভালো কিছু চিন্তা
যেখানে রাত সেখানেই হয় কাত, ফুরিয়ে সকল বাত ঠিকানা ছাড়া এইতো করি বাজি মাত। এই দিনে ভাষার জন্য দিতে হয়েছিল রক্ত শ্রদ্ধা নিবেদন করি আমরা তাদের ভক্ত, সেই দিন তারা