ঢেউয়ের মতো, বাঁশ বনে ভেসে যাওয়া উদাসী বাতাসের মতো, দ্রুত ভেসে যাচ্ছে দিন। মাঝে মাঝে স্মৃতির পুরনো পাতা উল্টে দেখি, সেখানে কত কথা, কত ব্যথা, কত মনোরম স্মৃতির মনি মানিক্য
রোজ কারো না কারো হই অভাবে নয় এ যেন স্বভাবে! চাইতে! না চাইতেও সেকেন্ডে সেকেন্ডে যে কারোর হয়ে যায়। হুম রোজী কারোর হই এই যেমন দাঁত পরিষ্কার করতে গিয়ে ব্রাশের,
মানুষ সব কিছুর চায় ভাগাভাগি খাবার, ঘরবাড়ি,জমি-জায়গা অন্যের সুখেরও চায় ভাগ শুধু নিতে চায় না কেউ ভাগের সামান্য কষ্ট।। মিটারে আজ কষ্ট বেড়েই যাচ্ছে সুখের দিন ফুরিয়ে যাচ্ছে ট্র্যাংকি কানায়
তুমি যেন এক অলিখিত দলিল; যার ভাগ কেউকে দেয়া যায় না… তুমি যেন প্রতিদিন ভালো লাগার এক কারণ যার সাথে নিত্যদিন আমার বায়না। তুমি যেন কোন কুয়াশায় ঢাকা ভোর, প্রকৃতির
নামটি তার লুৎফর রহমান লাতু সরকার পাঁচ পুংগলী বাড়ি, রিয়াজ উদ্দীন সরকারের দ্বিতীয় সন্তান বুদ্ধিমত্তা উনি। বিবেক আর আত্ম সংযমে গুণান্বিত তিনি, সুনাগরিক সমাজ সেবক, সহজ সরল প্রতি। উচ্চ বংশের
জগৎপিতা একজন শুধু স্বীকার করে মানব জাতি। গ্রন্হ তাহার আল কোরআন অবিশ্বাসের নেই গতি। ছাদ আসমান বিছান মাটি বলেন প্রভু আল কোরআনে। বিধান যতো গ্রন্হে তাহার যাতে মানুষ মানে। বিধান
শীতের রোদ বড় তৃপ্ত হয় মন তেমনই একমুঠ সুখ রোদ পেলে – বিলিয়ে দেই ভাগ করে নেই অনেকের সাথে কারণ- আনন্দ যত ভাগ করা হয় ততই আনন্দ বাড়ে। অসুখের মত
আজ আমি একটু চঞ্চল একটু বেখেয়ালী মনে হয় পথ ও বেঁকে চলি একটু বেশি বধির.. খামখেয়ালী নিশ্চুপ দিগন্ত তবে ধুমড়ে মুচরে পড়ে এইতো বিকেল শেষে সন্ধা গড়িয়ে আধাঁর নামে টুপ
গতকাল শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে শেরপুর গাঙচিল কার্যালয় শীতকালীন সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন — কবি , সাংবাদিক রফিক মজিদ সভাপতি, গাঙচিল শেরপুর জেলা শাখা। প্রধান অতিথি — মননশীল
গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মদিন উপলক্ষে কবি সংসদ বাংলাদেশ আয়োজন করে ৩৯২ তম মাসিক সাহিত্য সভায় কবি জসীমউদ্দীন কবিতা সন্ধ্যা। কেন্দ্রীয় সভাপতি কবি ও মিডিয়া