নষ্ট চোখে অন্তর লোকে দেখোনা সুখের শহর বহুদূর তাহা খুঁজে পাবেনা বন্ধ করেছি দোর! অন্তরে কালিমা মুছিলে হতেও পারি সহায়তা দিতেও পারি দোর খুলে যেয়োনা কবিতা ভুলে! কেনো করো এত
জলকে জল বলতেই ভালোবাসি আমি, পিচ ঢালা পথের মতই মসৃণ আমার ভাবনার প্রান্তর। কখনও জমির আলপথে চলি প্রয়োজনে খুব সাবধানে পা ফেলি, যেনো পিছলে না পরি পা যেনো মচকে না
যে তুমি নবীর মিরাজকে বিশ্বাস করো না সে তুমি কি করে মেঘকে মুঠোবন্দী করার স্বপ্ন দেখো। যে না দেখে, বিশ্বাস করে বাতাসকে বন্দী করা যায়, সে কি উর্ধগমনকে অস্বীকার করতে
আমি যদি বৃক্ষ হইতাম ছায়া দিতাম তোরে, বৃষ্টি হতে আগলে রাখতাম আলো দিতাম ভোরে। আমি যদি পাখি হইতাম গান শুনাইতাম তোরে, ভালোবাসার ডানায় পুরে যাইতাম নিয়ে উড়ে। আমি যদি রাত্রি
আঁখিতে যে নেশা ভর করেছে তা কি সহজে কাটবে? শ্যাম ভ্রমর, দেব ভ্রমর, জাত ভ্রমর, বহুরুপী ভ্রমর – মধুর আশায় গুঞ্জন করছে তাদের আশা কি মিটবে? এতো এতো ভ্রমর করছে
মন চাই স্বাধীনতার সুখ হারিয়ে ফেলতে চাই জীবনে আছে যতো দুঃখ, মৌমাছি হয়ে দেখতে চাই সকল ফুলের মুখ মধু গ্রহণ করতে হবে পেতে প্রশান্তির সুখ। কে বন্ধু হলো বা কে
হঠাৎ করে মনে কেন ভাবনা এত জাগে? তোমায় একটু ছুঁয়ে দেখি হারিয়ে যাবার আগে, তোমায় নিয়ে ভাবতে আমার অনেক ভালো লাগে। প্রথম যেদিন হয়েছিল তোমার আমার দেখা, সেদিন আমি ভাবিনি
শত বছর পিছনে যাই কবরে যাদের বাড়ি। মাটির সাথে মিশে গেছে ছেলে মেয়ে ছাড়ি। নেই ওঁরা কারোর মনে সবাই গেছে ভুলে। লালন পালন করেছে, যাদের নিয়ে কোলে। কিসে এতো রং
ভেবে দেখলাম, মনে পড়েনা তেমন, এবং সূত্রেও খুব একটা নেই, যৌক্তিক ভাবনাতেও মেলেনা, তোমাকে ঘাস ফুলের পাশে কখনও দেখিনি। দেখিনি তোমার মত কোন কুসুম কোন গহীন কোন অরণ্যে, খাড়া উচুতে
রাতে ঘুমাতে গিয়ে স্ত্রী বললো আগামীকাল রান্না করার মতো চাল ডাল কিছুই নেই। স্ত্রীর কথা শুনে বললাম চিন্তা করবেনা আল্লাহ এক ব্যবস্থা করে দিবেন। সে বললো, সেটা বুঝলাম কিন্তু তার