আকাশ তুই বরাবর একই কায়দায় একই কৌশলে মেয়েদের এতো সহজে প্রেমে ফেলিস কেমন করে বলতো? আরে দোস্ত আজকাল শুধু আমি না কিছু মেয়েও এমনটা করে। বারেক বললো, এমন অন্যায় গুলো
আসবে বন্ধু দেখতে পল্লী গাঁয়ের রূপের মায়া সবুজ শ্যামল অরণ্যতে পাবে রূপের ছায়া। খালের ঝিলে রঙিন শাপলা চোখ জুড়িয়ে যাবে, নীল গগনে ঊষার আলো মনটা ভরে পাবে। সোনার ফসল ফলায়
বঙ্গবন্ধুর নিয়ে লিখব কবিতা আর ছড়া, জানুক নবীন তরুণ সবাই বাংলা তার’ই গড়া। গর্জন হুংকার ভাষণ দিয়ে শক্তি জাগায় মনে, সেই ভাষণে দেশ স্বাধীনের লড়াই করে রণে। স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেয়
সাধুর বেশে বেশ্যার ভূষণ মুখোশধারী বেশ, বিবেকবোধে লজ্জায় মরে ভাবে মরলে শেষ! বেশ্যা মরলে লাশের গন্ধ বাতাসে তাই ভাসে, বিভেদ খোঁজে মোল্লা বংশ থাকে না কেউ পাশে! বেশ্যার দাফন করলে
ভুতটা ছিলো দেখতে বিশাল দেহের অধিকারী দিনের বেশীর ভাগ সময় সে ঘুমিয়ে কাটায়, সন্ধ্যায় জেগে উঠে এজন্যে সন্ধ্যায় বাহিরে গেলেই মা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়ে কবে কি হয়ে যায়। মা
হঠাৎ খানিকটা বৃষ্টি ফোঁটা এসে ভিজিয়ে দিয়ে গেল আমার বন্ধ ঘরের জানালার পর্দা , আর সাথে করে নিয়ে চলে গেল আমার মাঝ রাত্তিরের তন্দ্রাচ্ছন্ন বিলাস! প্রচন্ড তাপদাহকে বুড়ো আংগুল দেখিয়ে
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চলতে,, জীবন থেকে কতো কি হারিয়ে যাচ্ছে,,! আমাদের বয়স বাড়ছে,, রুপ-সৌন্দর্য্য হারিয়ে যাচ্ছে,,, প্রিয় জনের কদর ও কমে যাচ্ছে,,, সময়ের ব্যস্ততায় বন্ধু-বান্ধব ও কমছে,, সকলের
হ্যাঁ আপনাকেই বলছি তপ্ত বিছানায় গড়াগড়ি খায় বারবনিতার নাকফুল করুণ আর্তনাদ পাশ কাটিয়ে উদাসী মনে পাশেই দাঁত কেলিয়ে হাসে যুবতী সময় বিদ্যুৎ ঝলসানো আলোর বিচ্ছুরণে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে হাসির জৌলুষ
তোমার ওই কাজল কালো চোখ কি কথা বলে অনেক কিছুই বলে যা বুঝে নিতে হয়, পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝর্ণাধারার তীব্রতা বাঁধভাঙা নদীর মতো দু’কুল ছাপিয়ে ছুটে চলে, দু’দিকের প্রকৃতি
যতোটা দূরের তুমি আমার ততোটাই কাছের নিরবিচ্ছিন্নতায়, যতোটা সম্ভাবনা তুমি আমার ততোটাই শূন্যতা পূর্ণতা অপূর্ণতায়। তুমি আমার চিন্ত চেতনায় বিশ্বাসে স্বার্থে সর্তে, তোমাতেই বিমুগ্ধ বিমোহিত আবেগ, বিন্দুবিসর্গে মর্তে। তুমি যোগ-বিয়োগ