অদ্ভূত ভালোবাসা সেই বৃষ্টির রুপোলী ফোঁটায় কদমের ঘ্রাণ তুলেছিলো অনায়াসে তড়িত স্ফূলিংগের আকস্মিক রঙের ঝালর, ঝিলিক স্পর্শে পুরো প্রান্তর জ্বলেছিল অপ্রয়োজনে কি ভীষন বিরক্তি, হঠাৎ স্পর্শ ছিন্ন স্বর্ণ হাতে অস্বস্তির
সুন্দর পৃথিবীতে সুন্দর মনের কেনো এতো অভাব পৃথিবীর বুকে তো মানব চিরস্থায়ী নয় জেনেও কেনো- ওরা করছে এতো হানাহানি কাটাকাটি জ্বালানি পোড়ানি! মানব প্রাণ যায় কি কোনো অর্থে কেনা!? তবে
যত মানুষ এখন দেখি ভোটের আমেজে আগে কখন দেখিনি যাদের তাদের দেখি এখন গাঁটে, ধুলো উড়িয়ে যেত যারা দামি গাড়ি চড়ে তাদের দেখি পায়ে হেটে যায় যে ভোটার দারে, এখন
চুপচাপ শুনশান রাত গভীর বুক ভেঙ্গে বেড়িয়ে আসে এক একটি দীর্ঘশ্বাস, নিভৃতে একাকী মনোবেদনায় শুধুই নীরব নিথর অশ্রুজলে। প্রতিদিন কত কত মৃত্যু চারিদিক কত শোক ,কত খান্ডবদাহন! নীরবে নিভৃতে যে
নীলাঞ্জনা, যেভাবে তুমি অনর্গল ভালোবাসার কথা বলো, ওভাবে ভালোবাসার কথা বলতে নেই, আমি ভালোবাসি, সবুজ ধারাপাত, নদী,অরন্য পাখির গান, সুনীল আকাশ,উদাস পাইনবন, তোমার দেখার সময় কি হবে,এখন, মনে পড়ে, সারেন্ডার
চায়ের কাপ হাতে আমরা দুজন বসার একটা জায়গা খুঁজছিলাম নিরিবিলি একটা জায়গা যেখানে থাকবে না কোনো কোলাহল,লোকের সমাগম … শেষমেষ তুমি বারান্দার রেলিং এর ওপর বসলে আর আমি তোমার গা
খুটখুট শব্দে ঘুম ভেঙে গেল। কয়েক মুহূর্ত সে নিশ্বাস নিতে পারল না, দম আটকে এল। হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে রহিমার এরকম হয়। আজ একটু বাড়াবাড়ি হল, তৃষ্ণায় গলা শুকিয়ে কাঠ,
জনাকয়েক পলাতক যুবক, একটি গুহা আর তিন শতাব্দীর নিদ্রা- আসহাবে কাহাফের কাহিনী কেবল মুসলিমদের কাছেই প্রবল জনপ্রিয় একটি ঘটনা নয়, বরং খ্রিস্টানদের কাছেও ছিল খুব জনপ্রিয় ও অলৌকিক ঘটনা। কুরআনে
রশিদ হারুন মনোলীনা, অনেকদিন হলো দিনশেষে বাড়ি ফিরতে গেলে প্রায়ই হারিয়ে যাই, কোনমতেই মনে করতে পারিনা আমার বাড়ির ঠিকানা। একে ওকে ডেকে জানতে চাই, ‘আমার বাড়ির ঠিকানটা কি বলতে পারবেন?’
এক দেশে এক অত্যাচারী বাদশাহ ছিলেন। বিভিন্ন রকমের অত্যাচার তিনি করতেন। লোকজনের ঘোড়া-গাধা জোর করে কেড়ে নিতেন। বাদশাহ একদিন সৈন্যসামন্ত সঙ্গে নিয়ে শিকার করতে গেলেন। দলবল নিয়ে শিকার করতে আসা