গ্রামের নাম রসুলপুর। গ্রামে গোলাপ মিয়া নামে এক গরীব কৃষক বাস করে। স্ত্রী মালতী আর দুই মেয়ে জুঁই এবং জবাকে নিয়ে গোলাপ মিয়ার সংসার। বড় মেয়ে জবা কলেজে পড়ে। পড়ালেখায়
নগেন দেওয়ানীর সন্তান তিনি, এক রাজকপালী, সুখ আর ধনে কেটেছে দিন যে, হেসে-খেলে খালি। নাম তাঁর রজনী! দেওয়ানীর ছেলে বলে কথা, প্রভাব-প্রতিপত্তি অটল, ছিল যে নামডাক ও প্রথা। দিনগুলো সব সুখেতেই কাটল সোনার কালে, হঠাৎ নতুন গল্প শুরু এক কালবৈশাখী ঝড়ে! নদীর ভাঙন ধরল এসে সুখের সেই ঘরে, সাত-সাতবার ভাঙল বাড়ি নদীর করাল তোড়ে। ঝড়-ঝাপটা আর নিদারুণ কষ্ট এলো নেমে, জীবনতরী থমকে গেল, সুখ গেল যে থেমে। ব্যবসা ছেড়ে ধরলেন এসে ঠিকাদারির কাজ, ভাগ্যদেবী বিমুখ হলেন, মাথায় ভাঙল বাজ। ২০১২ সালে লসের বোঝা কাঁধে লক্ষ টাকার ঋণে, ছাড়তে হলো নিজের বাড়ি এক নিদারুণ দিনে। একটি যুগের বেশি সময় চলল লড়াই ভারী, কষ্ট নামের মেঘ জমল দুঃখ-সাগর পাড়ি। বুকের ভেতর চেপে রেখে চরম কষ্টের বান, চার-চারবার থমকে গেল তাঁর হার্টের স্পন্দন। ভাঙা তরী সচল করে, লড়ে গেলেন একা, ধৈর্যের সেই আগুনেতে পেলেন সুখের দেখা। ঘুচল অবশেষে দুঃখ-মায়া, শান্ত হলো বুক, হাসল আবার চেনা জগৎ, ফিরল চেনা সুখ। সুখের তরী ভিড়ল যখন আবার চেনা কূলে, পাড়ি তিনি জমালেন দূর স্বর্গের ঐ কূলে। সবাইকে আজ কাঁদিয়ে, ভেঙে মোদের বুক,
যতই চিতকার করে কান্নাকাটি করো না কেন? তোমার বুক ফাটা আর্তনাদ কারো হৃদয়ে স্পর্শ করবেনা কারন কি জানো? তোমার আর্তনাদ বুঝতে হলে এক আকাশ বিশাল হৃদয়ের মানুষ দরকার যা সবার
আমরা লড়বো যুদ্ধ করবো সুন্দর দেশ গড়তে, দেশকে উর্দ্ধে তুলে ধরবো ভয় পাইনা মরতে। স্বর্গ থেকেও করবো সুন্দর আমাদের এই দেশ, কারো মনে থাকবে নাকো হিংসা আর বিদ্বেষ। অন্যায়ের কাছে
হায়া পর্দা কমে গেছে নারীদের আজ, বেশরম বে-লজ্জায় ভরেছে সমাজ। পর্দার ধার ধারেনা বেপর্দায় চলে, শয়তানে লজ্জা পেয়ে আল্লা আল্লা বলে। শর্টকাট ড্রেস পড়ে থাকে অর্ধ নগ্ন, পাপের নেশায় তারা
সমস্ত সৃষ্টি আনন্দিত আজ বিশ্বনবীর জন্মদিন, কুল মাখলুকাত রোমাঞ্চিত সব আসলো ভবে আল-আমীন। পূর্ব পশ্চিম চতুর্দিকে আজ নূরের রশ্মি চমকালো, মহান আল্লাহ নবীজিকে ওই এই দুনিয়ায় পাঠালো। বারোই রবিউল আউয়াল
আজ হয়তো ক্ষমতা আছে চিরদিন কিন্তু থাকেনা, মৃত্যুর পরে আপন ঘরে এক মিনিটও রাখেনা। ক্ষমতা তো জোয়ারভাটা আজকে আছে কালকে নাই, চিরসত্য এমন কথাটা অনেকেই ভুলে যাই। ক্ষমতার অপব্যবহার কখনো
সুদ আর ঘুষে ভরে গেছে সুন্দর এই দেশটা, অভিশাপ মুক্ত কবে হবে জানিনা তার শেষটা। জেনে ও শুনে মানুষজনে খাচ্ছে সবে সুদ ঘুষ, পাপের ভয় কেউ করেনা কারো কোনো নাই
এই দেশে আমি ভাড়া থাকি, সময়ের কাছে নেওয়া এক অস্থায়ী ঠিকানায়। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন দেখি মানুষেরা কত সহজে দেশকে নিজের বলে। অথচ আমার বুকের ভেতর এক টুকরো আকাশও যেন
১৯৮৭ সাল। দেশজুড়ে বন্যা। টানা বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ডুবেছে, ফসল নষ্ট, মানুষ আশ্রয়হীন। সেই দুর্যোগে সংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষেরা চুপ করে বসে থাকেনি। ফুটবল খেলা, ক্রিকেট ম্যাচ, নাটক আর গানের কনসার্ট করে