কিছু ভালোবাসা কথায় মাপা যায় না। কিছু অনুভূতি এত গভীর হয়, যে তাকে প্রতিদান নয়— শুধু নীরব কৃতজ্ঞতায় গ্রহণ করা যায়। আমি সেই নীরবতার মানুষ। যাদের হৃদয়ে আমার জন্য এতটা
যেদিন শুনলাম— “এসব অভিনয় ছাড়ো,” সেদিনই বুঝে গেলাম, তুমি এখন অন্য কোনো প্রার্থনার মঞ্চে অভিনয় করছো। আমি তখনও বিশ্বাসে অন্ধ, তোমার চোখে দেখতাম মহাবিশ্বের ঈশ্বর, তোমার ঠোঁটে শুনতাম অমরত্বের গান।
নিখুঁত আল্লাহর পরিকলপ্না করা যায়না কল্পনা যেদিকে তাকাই দেখি সদা কতো সুন্দর আল্পনা। আকাশ মাঝে মেঘের ভেলা জলে মাছের খেলা রাত্র দিনে কেটে যাচ্ছে আলো আধারির বেলা। হাওয়ার ভাসে পাখ
আমি একদিন বর্ণমালার গর্ভে ঢুকি— জন্ম নেই, কেবল বিদ্রোহের ঢেউ, রক্তের কোলাহল। আলিফের চোখে আগুন— সে জ্বলে যাক বা নিভে তবু সে-ই এখন জাগ্রত যুদ্ধ। মিমের পেছনে দাঁত-মোচড়ানো হাহাকার নীরবতাই
তোমার কৃপণ ঠোঁটের ব্যসার্ধে আমার কুণ্ঠিত প্রেম – লেখে আদিম তাম্রলিপি। পাঁজরের চৌকাঠ পেরিয়ে নিঃশ্বাস ফেলে একরত্তি ভালোবাসা। আনমনা গল্পের নিতম্বে কম্পিত তর্জনী খোঁজে নতুন রূপকথা। নিরবতার স্ব-শব্দ ব্যাকরণ দু’চোখ
হিমেল হাওয়ার পরশ যখন লাগলো এসে গায়ে বুঝে ছিলাম শরৎ আবারও এলো পায়ে পায়ে। দখিনা হাওয়ায় শিউলি ফুলের গন্ধ ভেসে আসে সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে মন খুশিতে হাসে। নীল শাড়িতে
এমন কিছু পুরুষ আছে নারীকে সম্মান দেয়; সিঁড়িতে চাতক চোখে বসে থাকা কোমল নারীকে প্রেমহীন হাতে টেনে নিয়ে যায় ঘরের কোণায়। নিজে দিগ্বিজয়ী হয়ে থাকে রাজবেশে, কামনার বহ্নিশিখা দহন জ্বালায়
এতো মানুষের ভিড়ে সঠিক মানুষ চিনবে কেমন করে, বর্তমান প্রতারণার ডরে ভালো মানুষ গুলো কি মুখ খুলতে পারে। কত স্বপ্ন পরিবারে তোমাকে ঘিরে ছেলের মাধ্যমে দাদুভাই আসবে ঘরে, আদর করবেন
অনলাইন ডেস্ক: ভিন্নমাত্রা লেখক ফোরাম এর চেয়ারম্যান কবি মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – ভিন্নমাত্রা লেখক ফোরাম এর
ছাতা মাথায়, পথ চলি, দিনের আলোয় বৃষ্টি ঢলি। ভিজে মাটির মিষ্টি ঘ্রাণ, নিয়ে আসে নতুন গান। দোকান সারি পথের বাঁকে, যেন কোনো মায়াবী আঁকে। শহরের এই ব্যস্ত দিনে, একলা হাঁটা