আল-কুদুস আল-কুদুস ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন আল-আকসাতে, মুসলিম জাতি এক হয়েছে আজাদ করি রে। রক্তমাখা স্রোতের নদী পাড়ি দেব রে, আমরা কজন বির মুজাহিদ হাল ধরেছি রে। শহীদ হব তোমার পথে
আজব দেশের খবর, বেয়াই খোঁজ রাখে জবর। তেল মাথায় তেল দেয়, বেয়াই সাহেব খেল দেয়। সুযোগ খোঁজে গুজব রটায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটায়। নির্দোষী জেলে পুরে মরে দোষীরা দেশের বাইরে ঘুরে।
আমি চেয়েছিলাম তোমায় ভালোবাসতে, আমি চেয়েছিলাম আমৃত্যু পাশে থাকতে। তোমার ঘৃণা অবহেলা তিরস্কার অপমান আমার সব উত্তর নীরবতাতেই ছিল। তুমি দেখছো আমার শুধু অনুরাগ অভিমান কিন্তু তুমি আমার ভালোবাসা বুঝনি।
পুরাতন বর্ষ জীর্ণ ক্লান্ত রাত্রি, অন্তিম প্রহর হল ঘোষিত। চৈত্র অবসানে বর্ষ হলো শেষ, এলোরে এলোরে পহেলা বৈশাখ। পাখির কণ্ঠে প্রভাতের বন্দনা, পূর্ব দিগন্তে উদিত নতুন দিনের সূর্য। সকাল সাজে
বৃক্ষের ডালে নব পল্লব পাখির কণ্ঠে গান। আজ নব আনন্দে জাগো এসেছে এসেছে পহেলা বৈশাখ। পুরনোকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে করি বরণ। এসো হে এসো,আগামীর চলার পথে সুনিপুণ স্বপ্ন আঁকি
রক্তে রাঙা গাজার পথে, শিশুরা আজ চিৎকার করে, মায়ের চোখে অশ্রু ঝরে, হৃদয় কেন নীরব থাকে? ইজরাইলের আগুন ঝরে, বারুদের ওই ঝড়ের তলে, আল্লাহর নাম মুখে আনি, দাঁড়াই আজ লা
তখন সন্ধ্যা নামেনি পুরোপুরি, কিন্তু আলোয় আর অন্ধকারে এক তুচ্ছ দ্বন্দ্ব চলছিল। গাছেরা নীচু হয়ে পড়েছে, যেন কোনো অপরাধ ঢাকতে চায় তারা। পুকুরপাড়ে শ্যাওলার গন্ধে মিশে আছে পুরনো দিনের শোক।
আমি কাঁদতে চাই, চিৎকার করে, চোখের জলে ভিজে মন। চারদিক জুড়ে নীরবতা, জানি না কারে বলি বর্ণ। শিশুর চোখে রক্ত দেখে, থেমে যায় বুকের হাঁসফাঁস। ডাকে সে মা, ডাকে সে
জীবনটা বড় একঘেয়ে হয়ে গেছে। এ কথা কেন বলছো? প্রত্যেকদিন খাড়া বড়ি থোড়। অথচ, এমন জীবন তো কখনো চাইনি। আমাকে তোমার ভালো লাগে না? কখন সে কথা বললাম? তাহলে? বলছিলাম,
দাদা আব্দুল গফুর পাইক ভগ্নিপতি মুহাম্মদ ওমর ফারুক, নানা কাজী আমিনুল ইসলাম নানী দেওয়ান ফিরোজা বেগম, নাতী ফারহান নাবিল ইব্রাহীম মাতা (পেয়ারা) আনোয়ারা বেগম, বড়ো বোন লাকী রাবেয়া বোন জান্নাতুন