তুমি চাওনি বলেই আমাদের দেখা হয়নি আর— শেষ বিকেলের শেষ আলোয় মুখোমুখি হওয়া, একটুখানি কথা বলা, কিংবা নীরবতার ভাষা— সবকিছুই থেকে গেছে অস্ফুট, অপ্রকাশ্য। হয়তো আর কোনদিন দেখা হবে না
দিবো না ফিরিয়ে যদি আসো ফিরে পুনরায় মোর দুয়ারে শর্ত কিন্তু আছে একটা যদি থাকে মন মন্দির আমার ফাঁকা। তুমি আসবে ফিরে হয়তো আমাকে পেতে সেই আগের মতো কারণ ভাবোনি
আজ থেকে কাল, আর কতকাল , আধুনিকতার অনাদরে ঢাকা প্রতিকার , নতুন ধারা ধরে চলছে যে দুর্বল সমীকরণ , যার আছে মানজান তাঁর জাত যায় ! যার নাই কোনো তাঁর
তুমি যে হৃদয়ের বাতি, আলো ছড়াও সারাক্ষণ, অন্ধকারে হারাই যেথা, দেখাও সেথা পথের গমন। তোমার আলো হৃদয়ে জ্বলে, শান্তি আনে জীবনের ডাকে, তুমি যে মোমের মতো জ্বলো, পুড়ে যাও ভালোবাসার
ডাক এসেছে দেশে যাব, দেখব গাঁয়ের মুখ, দেশের ঘাসের লতায় পাতায় ভরবে সুখে বুক। ধুলায় দেব গড়াগড়ি, কাদায় দেব ডুব, শ্যাওলা পানার ময়লা জলে মাখব গায়ে রূপ। দেখব নিযুত লতাপাতা
আমার চোখে জমে থাকা স্বপ্নেরা জানে, তোমার মায়ার ছোঁয়ায় দিন কাটে গানে। চোখের তারায় আঁকা চিত্র হাজার, তোমার মুখের হাসি যেন জ্বলন্ত আলো ঝরঝর। তোমার কথার ছোঁয়ায় জাগে আমার মন,
দাবী করতে শ্রেষ্ঠত্ব, বর্জন করুণ পশুত্ব। করিওনা শয়তানের দাসত্ব, একাত্ববাদে হও বিশ্বস্ত। স্নেহ করুণ অধীনস্থ, ত্যাগ করুণ আমিত্ব। বজায় রাখুন ব্যক্তিত্ব, পালন করুণ যে দায়িত্বে ন্যস্ত। সুদ ঘুষে রাখো দূরত্ব,
ওহে গুণী! ওহে জ্ঞানী! নিজের সাথে হয় কি কথা কখনই? শুনন জনাব তবে, বলুন কথা নিজের সাথে, ঘুমানোর সময় প্রতিরাতে। কি দায়িত্ব ছিলো ন্যস্ত? কি নিয়ে ছিলেন ব্যস্ত? কার প্রতি
হেমন্তেরি শীতের ঘুড়ি নীল আকাশে উড়ে, নাটাই ছাড়া সুতো যেন উড়ছে বহুত দূরে। বিকেল বেলা আলতো রোদে সন্ধ্যা লগন সাজে, ছেলে মেয়ে অর্ধাঙ্গিনী ধানের ক্ষেতের মাঝে। নিজের হাতের তৈরি করা
ঘুমন্ত ও দেশবাসী ভুলে গেছো জুলাই, আনন্দ হাওয়া অঙ্গে বুলায়ে দোলনাতে দুলাই। শিশু, কিশোর মরল পথে ছিন্নভিন্ন দেহ, টিয়ার গ্যাসের গুলির আঘাত খোঁজ রাখেনি কেহ! চিৎকার করে বলছে শহীদ মনে