এসো মানব ডাক হাকিলে পবিত্র সেই ঘরে, সেজদা করো আপন মনে মহান প্রভুর তরে। সেজদা মাঝে কল্যাণ কামি পথের দেখা পাবে, সেই পথেই যে গমন করলে স্বর্গের দিকে যাবে। এমন
পশ্চিমের দিকে তাকিয়ে দেখছি সূর্যটা প্রায় ডুবুডুবু, রাত কে স্বাগতম জানাতে অপেক্ষা করছে সন্ধ্যা আকাশে তারা, অন্য দিকে আকাশ টা কালো মেঘে ছেঁয়ে যাচ্ছে দু’একটা বৃষ্টির ফোটা মাটিতে গড়িয়ে পড়ছে,
আকাশ মেঘলা ছিলো, ছিলো টিপটিপ বৃষ্টি ও । অল্প সময়েই তার জোর শুরু হলো। কিছুক্ষণেই তা আরো বাড়লো । ধীরে ধীরে প্রবল হলো, বাড়লো নদীর ঢেউও। বজ্রপাতের শব্দ ও শোনা
আরব দেশের বসতবাড়ি সর্প রাসেল ভাইপার, আতঙ্কে আজ বাংলাদেশে জনগণ যে হাইপার। শত বছর আগে ছিল বিলীন উপজাতি! কৃষক চাষা জেলেপুলের হচ্ছে জীবন ক্ষতি। অতি বিষের ওষুধ নাই যে অকপটে
বৃষ্টি হলেই পানি জমে রিম ঝিমা ঝিম নুপুর, আলতো পানির উল্লাসেতে মগ্ন সকাল দুপুর। বাড়ির ছাদে অল্প পানি পায়ের পাতা ভিজে, কচি ঘাসে নরম ছোঁয়ায় শান্তি আহা কি যে। ধানের
লোভে পড়ে লোপে নরে হিতাহিত জ্ঞান, ভালো মন্দ নাহি যাচে হেন কর্ম করে। ন্যায় ছাড়িয়া অন্যায় আঁকড়ে সে ধরে, ডুবিছে পাপ তটিনী থাকে নাকো ধ্যান। মরণের ভয়ে কভু কাঁপে না
মজেছি মায়ায় আসি তাজ্জব ধরাতে, নিজ খোঁজ রাখি নাই মোহেতে ডুবিয়া। হইতেছে জরজর ঘুণ ধরে হিয়া, বিভোরে ভুলেছি সময় নেই বেশি হাতে। কুদরতি ইশারায় মানব কায়াতে, মূলধন,হীরা সোনা দিয়েছে ভরিয়া।
শুনছি বসে দাদির পাশে চাঁদের বুড়ির গল্প, দেখছি চেয়ে চাঁদের বুড়ির গল্প নয়তো কল্প। চাঁদের বুড়ির অনেক বয়স শুনছি ছোট্ট থেকে, রূপ কথাটা সত্যিই হলো চাঁদের বুড়ি দেখে। চাঁদের বুড়ির
মধুর শৈশব লাগাম টেনে স্মৃতির মায়ায় ভাসে, মনের মাঝে উঠলে জেগে অশ্রু চোখে আসে। শৈশবের সেই রঙিন স্বপ্ন আছে স্মৃতির মাঝে, আমোদ ফুর্তি খুশির দোলা ছিলো সকল সাঁঝে। নির্লিপ্ত মন
শেষ হলো যে মহা উৎসব তিন দিন উদযাপিতে, একটি গরু একটি ছাগল রবের সন্তুষ্টিতে। বাবার বাড়ি ঈদের দিনে গরু দিলাম সবে, নিজের বাড়ি দ্বিতীয় দিন ছাগল দিলাম জবে। ভালোবাসার পশুটিকে