ধলপহরে মনটা টানে একটু লাগুক ছোঁয়া দুচোখ ভরে নেই দেখে নেই, খাচ্ছি রোদের মোয়া । দেখছি যেনো কাঁচা হলুদ রোদের লুটোপুটি খাচ্ছি সকাল, ফুলের সুবাস, কত না খুনসুটি।। সূর্য
আড়াল আমি হইনি পাখি থাকি পাশাপাশি, কেমনে বুঝাই তোরে আমি কত ভালোবাসি। এই পৃথিবী শূন্য আমার তুই পাখি বিহনে তীর মেরে তুই বুকে আমার লুকাইলি কোন বনে। পাখি-রে তোর সনে
যখন পৃথিবীর সমস্ত কিছু মুখ ফিরিয়ে নেয়, যখন নিজের একান্ত আপন মানুষ গুলোই কুৎসা রটায়। তখন আর কাউকে আর বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয় না । এমনকি সে যদি আপনার অর্ধাঙ্গ
আবার কেন দেখা হলো? আমিতো সুখেই ছিলাম, আমি তো ভালো’ই ছিলাম। তোমা বিহনে, নতুন করে অন্যকোনো জনে নীড় বেঁধে নির্জনে।। তুমি অকারণে মনের সুখে, আমায় ফেলে; কোথায় চলে গেলে–? কেউ
রাখাল ছেলে রাখাল ছেলে মাঠে তুমি যাও, আষাঢ় মেঘে ঢাকছে আকাশ সঙ্গে ছাতা নাও। দমকা হাওয়া করবে ধাওয়া কোথায় নেবে ঠাঁই? বৃষ্টিপাতে সঙ্গী হবে মাথার ছাতাটাই। মেঘের ভেলা করছে খেলা
তোমার ওই স্থির চোখের তীহ্ম চাহনি যেন নীড় হারা নয় নীড় বাঁধেনি এমন পাখি নীড়ের সন্ধানে শশব্যস্ত। আমার হৃদয়কে বিদীর্ণ করে কি যেন বলতে চায় খুব ছোট কথা অথচ অনেক
তুমি নজরুল নেই তাতে ভুল তোমার আশীর্বাদে, মন থেকে তাই ছড়া লিখি ভাই ছন্দ ও সুর সাধে ! জন্মেছ তুমি জন্মের পর কতো না লিখেছ লেখা, বিদ্রোহী মন চঞ্চল প্রান
তুমি বলেছিলে এরপর দেখা হলে নীল অপরাজিতা দিয়ে চা বানিয়ে খাওয়াবে; আমি জানি আমদের দেখা হওয়াাটা সচারাচর কষ্টসাধ্যই নয় দূরুহও বটে। তাই ভাবনার অবগাহনে ডুব দিয়ে দেখি স্ফটিক স্বচ্ছ কাঁচের
সুয্যি মামা রাগ করেছে মাথা বেজায় গরম, বুইড়া দাদা তাপদাহে ওই খেয়েছে লাজ শরম। খোকা-খুকি উদাম গায়ে ঘরে কাটায় বেলা, বিড়াল ছানার চেহারা ভার বাইরে নিষেধ খেলা। ঈশান কোণে আঁধার
কলেজের বড় গেট দিয়ে বেরিয়ে ডান দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে নিমকি। প্রতিদিনের মতো মেয়েদের কলেজের পাশে বট গাছটার নিচে অপেক্ষা করে অয়ন । কলেজ ছুটি হলে বেশ কিছুক্ষন সময় কাটায়