শোনরে চাষী জগদ্বাসী ভাইবা মোর শোন তোরাই হলি দেশের মাথা মুক্তিকামী ধন, তোরাই দেশের প্রথম শক্তি প্রধান হাতিয়ার তোদের শক্তি নিধন করে মিথ্যা অহংকার। তোরাই সকল খাদ্যের উৎস দেহ বলবান
লোক মরেনি বাগেরহাটে, সিডর আইলার মতো কিন্তু রেমেল দিয়ে গেছে, আরও বিরাট ক্ষত। পানির তোড়ে ভেসে গেছে, হাজার হাজার বাড়ি যত্নে গড়া মৎস্য সম্পদ, নদীতে দেয় পাড়ি। পশু-পাখি ছাগল-গরু, কাপছে
আজ আকাশের বেজায় মন খারাপ’ আকাশে জমেছে অনেক বেদনার্ত বৈরাগ্য, থেমে থেমে আকাশের চোখ দিয়ে জল গড়াচ্ছে দমকা হওয়ায় বৃষ্টির সাজঘরে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখছি বৃষ্টির জল নূপুর’ ছিন্নভিন্ন চিন্তাগুলো জোড়া
আমার হাতের মুঠোয় অসহায় বন্দি ছিল কেউ আমাকে আমার ভিতর হতে বাহিরে প্রকাশিত করা হল সে এক কবি পরিচয়হীন। পৃথিবীর ঘর ছেড়ে আমাকে সে এনেছিল পৃথিবীর পথে। নক্ষত্রের রাতে চুপে
প্রাক- প্রাথমিকের ছোট্ট সোনামণি, ছিল ছাত্র শিক্ষকের নয়নের মণি। মাতা- পিতার আদরের সন্তান, মায়া মমতায় ভরা এক পৃথিবী সমান। অভিভাবকের দেয়া নাম ছিল জয়দ্বীপ, কে জানতো হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় নিবে
ভালোবাসা মানে তো জোর করে বাঁধা নয়, ভালোবাসা মানে তো মনের মাধুরী মিশিয়ে কারো জীবনকে রাঙিয়ে তোলা, তবে কেন তার স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে তাকে ব্যথিত করো? যদি তার হাসিতে খুঁজে
মিলে-মিশে একাকার, আশা আর ভরসা, মানবতাকে মিষ্টি মুখ করে, গিলে খেয়েছে, স্মৃতির পাতায় জমছে শুধুই হতাশা, লাভের লোভে হারায় জ্ঞান, একে অপরকে ঠকিয়ে আনতে চাই সুখ, চাকরি না পেলেই, যেতে
মাঝে মাঝে খুব চিৎকার করে কান্না করতে ইচ্ছে করে কিন্ত পারিনা। কিছু কষ্ট থাকে একান্তই নিজের যা মানুষকে দেখানো বা বুজানো যায় না। আচ্ছা! কষ্টগুলি মানুষকে এইভাবে ধুমরে মুচড়ে চুড়মার
আকাশ তুই বরাবর একই কায়দায় একই কৌশলে মেয়েদের এতো সহজে প্রেমে ফেলিস কেমন করে বলতো? আরে দোস্ত আজকাল শুধু আমি না কিছু মেয়েও এমনটা করে। বারেক বললো, এমন অন্যায় গুলো
আসবে বন্ধু দেখতে পল্লী গাঁয়ের রূপের মায়া সবুজ শ্যামল অরণ্যতে পাবে রূপের ছায়া। খালের ঝিলে রঙিন শাপলা চোখ জুড়িয়ে যাবে, নীল গগনে ঊষার আলো মনটা ভরে পাবে। সোনার ফসল ফলায়