দুঃসময় চলছে ভীষণ বিষণ্ণতায় কাটছে পোড়াচ্ছ হৃদয়
তবুও অটুট মন স্থির তার গতিবিধি পরিচ্ছন্ন চিন্তা চেতনায়।
জীবনের রূপ বহুমাত্রিক গোধূলির রং-এর মতো সাজে- আবার তিমির রাতের রূপও ধারণ করে কখনো কখনো,
এতে বিচলিত না হয়ে বরফের মতো শীতল রূপে থাকাই শ্রেয়।
আমিটাকে একটা সময় জনশূন্য পরিবেশে সাজাতে চাই যেখানে –
থাকবে বিশাল আকাশ, সবুজ অরণ্য, পাখির কলতান, ফুলের সৌরভ, ঝর্ণার হাসি-
বয়ে চলা নদী, কোলে ঠাঁই দেয়ার মতো একটুকরো ভূমি।
শেষ রাতে অর্ধ বাঁকা শশিকর মেঘের রূপ দেখে কাটবে বেশ।
এ মনের দখল দাবিতে রাজত্ব আমার ঠাঁই পাবেনা আর কেহ।
শীতের শিশির ঝরা চাঁদনী রাত বেশ ভালো লাগে
জোনাক আলোয় শীতল পরিবেশ মনের খোলা দ্বারে যেন পূর্ণতা খোঁজে পায়।
অপার মুগ্ধ দৃষ্টিতে ঈশ্বরের সৃষ্টি দেখে এ আয়ুকাল –
কাটানো খুব যে কঠিন তা কিন্তু নয়।
অস্থির সময় ঘিরে আছে মানব জীবনে চাহিদার নেই শেষ।
আমিটা প্রকৃতির গঠন হলে কি ক্ষতি হতো?
মানব জীবন যদিও লোকে বলে শ্রেষ্ট, সৃষ্টির সেরা জীব।
কিন্তু মানব জাতি শ্রেষ্ট হলেও এদের বেশির ভাগ তো- লোক দেখানো সভাব তো দেখি না শ্রেষ্ট পরিচ্ছন্ন রুচিশীল!
হৃদয় নায়ে চড়ে আছি এ ধরার মঞ্চতা দেখছি কেটে যাচ্ছে বেশ।