হেমন্ত হাসিমুখে বিদায় নিলে….
কুয়াশার চাদর জড়িয়ে তুমি এলে,
তোমাকে কাছে পেতে প্রতীক্ষ্যমাণ…
প্রহরের পর প্রহর মাসের পর মাস
প্রকৃতি নিয়মে অবশেষে এলে।
লাল গোলাপের পাপড়ি বিছিয়ে….
তোমাকে বরণ করি হিম হিম মিষ্টি সকালে!
হৃদয় শীতের কুয়াশামাখা….
হিমেল বাতাসে তোমার ছোঁয়া পেতে
ব্যাকুল হই মধ্য নিশিতে।
কাঁথা বা কম্বল না…..
বুকের উষ্ণতা দিয়ে ঢেকে দাও আমার কাঁপুনি শরীর!
বেহায়া মনটা চায় শিশির বিন্দু ঘাসের
ডগায় বসে থাকা দু’পায়ে মাড়িয়ে যাবো আলতা চরণে,
শবনম দু চরণ আলতো করে ছুঁয়ে
ভিজিয়ে দাও দুষ্টুমির ছলে।
শিহরিত হয়ে হেঁটে চলে যাবো
চোখ ধাঁধানো সরষে হলুদ মাঠে।
সেখানে কালো ভ্রমর মৌমাছি গুনগুন সুরে
মন হরণ করে মূহুর্তেই,
হলুদ সরষে ডাল থেকে ভেসে আসে
পৌষের হিম শীতে কোকিলের কুহুতান,
তাজ্জব বনে যাই! ভুল শুনলাম নয়তো?
ঠিক তখনই কোকিল এসে…….
কানে কানে ফিস ফিস করে আদরে বলে গেলো,
ওগো প্রিয়া শুনো সামনে বসন্ত!
মুখিয়ে থেকো তাই দিয়ে গেলাম একটু সুবার্তা।
২৩ শে ডিসেম্বর ১৯ কাব্যগ্রন্থ- অলীক স্বপ্ন