মোঃ মাহবুবুর রহমান স্বপ্ন দ্যাখার কী আছে চলে এসো নিঃসঙ্কোচে আমি তোমাকে ভালোবাসার ঘর দিবো রাজ্য দিবো তোমার নামে লকার খুলে মনের একটা চাবি দিবো। তুমি শুধু টু পার্সেন্ট না
হাজি মোঃ মাহবুবুল আলম কিরন মৃধা নিসর্গের শোভামানে বসি বাতায়নে বিমুগ্ধ হরষে কচি রোদ্দুরে ভরে, হিম হিম শীত সকালে আনন্দ উথলে হৃদি হরষে মুগ্ধতা জাগালে, নব জাগরণে, সুখ আয়োজনে হিম
আবীর অরণ্য দেখেছিলেম যেদিন তোমায় মনের মাধুরী মিশিয়ে অঝোর আলোর পরশে, থাকতে আর পারি নি সেদিন একলা চুপটি করে। কী সুন্দর সেজেছিলে যেন মায়াভরা সেই মুখ, ওই বদনখানিতে লুকিয়ে আছে
মরিয়ম শ্রাবণী ইচ্ছের পাখিরা হতাশায় জেরবার চারিদিকে বদ্ধ, রুদ্ধ নিঃশব্দে দাঁড়ায় রুক্ষ পাহাড়, কেউ নেই কেউ নেই আজ দেখবার, স্বার্থের হেফাজতে চুপে,চুপে নির্বিচার। দেখো দেখো ঐ শ্মশান ভিড় জমিয়েছে, দাঁড়িয়েছে
মোঃ সবুজ ভূঁইয়া এই ভর সন্ধ্যায়, বাতাসে চাঁদ যেন তার পুরনো দিনের মিষ্টি আলো ছেঁড়ে দিয়ে গাইছে নতুন কোন গান। তাঁরা গুলোও ফুলের সুভাসে পৃথিবীকে করে তুলছে নব আল্পনায় নব
সাঈদা আজিজ চৌধুরী পৃথিবীর নীল চোখে ডাইনোসরের লালা অন্তরালে সূত্রধর দানবের ভৌতিক খেলা সভ্যতার পোশাক পরা মানুষ,দাম্ভিক অস্তিত্ব নিষ্ঠুর চশমা আঁটা চোখগুলো নির্লিপ্ত। অদৃশ্য অস্তের কূলে ফুসফুসের বাতাস উপত্যকার উপকণ্ঠে
আলমগীর হোসেন আজ আর নেই কিছু বলার বলে ফেলেছি অনেক কিছু বহুকাল ধরে গতকাল পর্যন্ত শুধু মনে রেখো আছি অপেক্ষায় কখন হয়তো কিছু বলবে থাকবো অপেক্ষায় কিছু শুনার আগামীকাল পর্যন্ত
এম এ আউয়াল মানিক আলু বলে একাত্তরে পা দিয়েছি ভাই, টমাটু বলে শতের নিছে কোন কথা নাই। পেয়াজ বলে আমার লাগাম টানার সাহস কার? মরিচ বলে আমায় পেতে করতে হবে
অধরা আলো তোমার আসার প্রতিধ্বনি বাজে কর্ণ কুহরে অপেক্ষার সময় থমকে রয়, ফুরোয় না বেলা। ভালোবাসা চিরন্তন জানি, শত বর্ষের চেনা, তবুও তুমি দূর –বহুদূর, অনুভবে তোমায় ছোঁয়া। শব্দরা সব
শফিকুল আলম টিটন নামাজ শেষে গভীর রাতে ফোনটা ধরে দেখি খলখলিয়ে হাসছে শুধু আমায় দেখে একি । কি মনে তার উদয় হলো আসল ফিরে কাছে মুখ দেখি খায় লুটোপুটি মনটা