কফিলের ছেলে সান্ডা খাবে গরীব ভৃত্য সান্ডা কোথায় পাবে? দিয়ে সার্চ গুগলে তার একটা সমাধান মিলে। গুগল মামা দেয় বলে সান্ডা পাবে মরুর বুকে, মাইলের পর মাইল খুঁজে সান্ডা ধরে
এক পুকুরে একটি মাছে লাফা লাফি করে বত্রিশ জনে চাইয়া দেখে কেহ নাহি ধরে। থাকে সেথা একা একা ফটক ওয়ালা ঘরে।। চুপ থাকে নড়েচড়ে বড়ই কারিগর হরেক পদের খাবারে পায়
এই পৃথিবীর প্রত্যেক মানুষ— একটি বাক্যে বাঁচে, মরেও যায়, “আমি তোমাকে ভালোবাসি”— শুধুই কি এ কথার মায়া? এক যুবক বলে প্রেয়সীকে, “তুমি আমার জীবন, আমার প্রান,” একজন মা তার সন্তানকে
ওরা জানে কী ? আমরাই শ্রমিক রাষ্ট্রের জীবন্ত ইঞ্জিন, সভ্যতা নির্মাণের পিলসুজ। রক্ত ঘামে কাঠফাটা রোদে সেঁকে চামড়া, দেশের অর্থনীতির চাকা রাখি চাঙ্গা অথচ বেতন পাইনা ঠিক মতো পাইনা যোগ্য সম্মান। শুধুই জোটে গাল
পুরুষ মানুষের দুঃখ- কষ্ট, আসলে কেউ বোঝে না… সমাজে একজন পুরুষ মানেই যেন এক নিঃশব্দ যোদ্ধা। ঘরের হাল, সংসারের চাপ, বাইরের লড়াই—সবকিছুই সে হাসিমুখে সহ্য করে যায়। কাঁদতে নেই, ভেঙে
আমি যাদের জন্য প্রার্থনায় হাত তুলেছি, রাতজেগে চেয়েছি তাদের উত্থান—তারা আমার পতনকে করেছিল উৎসব। যাদের হাসিতে শান্তি খুঁজেছি, তাদের চোখে ছিল আমার কান্নার আরাধনা। তাদের জন্য স্রষ্টার দরবারে চেয়েছি আলো,
তাকে শেষবার যখন দেখেছিলাম, তখন সন্ধে নেমে এসেছিল চুপিচুপি। আকাশে মেঘ ছিল না, কিন্তু মনটা ভারি হয়ে ছিল অকারণেই। সে কিছু বলেনি—শুধু তাকিয়েছিল, ঠিক যেমন কেউ তাকায় শেষবারের মতো একটি
অন্তরের গহীনে লুকানো যন্ত্রনা কেউ দেখে না, কেউ জানে না, কেউ বুঝে না। তোমার আচরণে যে ব্যথা আমি পেয়েছি তা বুকের পাজর ভাংগার চেয়ে কোন অংশে কম নয়। তুমি জানো
তোমাকে আমি চেয়েছিলাম, ঠিক ভোরের সূর্যের মতো। হাত বাড়ালেই ছুঁতে পারবো ভেবেছিলাম, ভেবেছিলাম—ভালোবেসে আপন করে নেবো। কিন্তু তুমি? তুমি ছিলে দূরের নীলে ভেসে থাকা এক টুকরো মেঘ, যার ছায়া পড়ে
কখনো কখনো, জীবন এমন এক দৌড়ে ফেলে, যেখানে আমরা শুধু অন্যদের জন্যই ছুটি। মায়ের মুখে হাসি ফুটাতে, প্রিয়জনের মন জিততে, সহকর্মীর চোখে ভালো হতে— নিজের অস্তিত্ব কোথায় যেন ফিকে হয়ে