জীবন প্রবন্ধে প্রেমের ইতিহাস সবাই গড়তে চায়, সবাই ভালোবাসতে চায়, ভালো রাখতে চায়, সংসার করতে চায়, সংসার গড়তে চায়। তবে এটা সত্য যে সংসার মানেই সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, সংসার মানেই একে
রক্তে কেনা এই পতাকা, কেন তবে ব্যথায় ভরে? স্বাধীনতার সূর্য হাসে, অন্ধকারে চারদিক ঘোরে। দিনমজুরের হাতের ঘাম, যুদ্ধের সেই রণ হুঙ্কার, রাজনীতির খেলায় তারা হয় আজ কেবল কারবার। জনতার নামে
করে সম্পদের হিসাব, পরিমান যদি হয় নিসাব, ওয়াজিব হয় যে কুরবানী, তা প্রত্যেক মুসলিমেই জানি। হাবিলের কুরবানী, প্রভুর কাছে দামী, পাঠালেন অগ্নিশিখা আসমানী। জ্বল্লো বকরি,হইল কবুল তার কুরবানী। কাবিলের মানহীন
আমার ঝোলাভরা শৈশব সর্বদা পালিয়ে বেড়ানো—তিতিরের কান্না! যেমন দ্বৈরথ পেরিয়েই কালান্তর! আমার বয়স ভাবলেই হুলো বেড়ালের ———মতো আৎকে উঠে সময়! বিশ্বাসের দোলা চম্পক দেয় নীল ডোরাকাটা দাগে—-ইলেক্ট্রন ঠাকুরমার ঝুলির ভোলানো
কাটেনা সময়ের পিছুহটা দিন পেছনে ফেলে—ন্যাকামি সুরে ডাঙায় ফাঁদ পেতে রাঘব বোয়াল আর ক-দিন? রঙিন চাউনি উড়ুক্কু বাউনি পেরিয়ে নীড়ে ফেরা — অযাচিত ব্যাকুল প্রতিক্ষা। হয়তো রাঙানো দিনের হাতছানি নয়তো—ফাঙ্গাস
জীবনে এমন কিছু সময় আসে, যখন আকাশ রৌদ্রহীন নয়, তবুও তোমার গায়ে কেবল ছায়া পড়ে। তুমি কোনো অন্যায় করোনি, তবুও সকল আঙুল যেন তোমার বুকের দিকে। চারপাশের চোখগুলো তখন কাঁটায়
এই শহর বড্ড অচেনা, বড্ড বদলে গেছে সব। এখানে শব্দ আছে, কিন্তু সুর নেই। আলো আছে, কিন্তু উষ্ণতা নেই। মুখ আছে, কিন্তু চোখে কোনো সত্যের প্রতিচ্ছবি নেই। আমি যেন এক
ত্যাগের মহিমায় আলোকিত হোক মন আল্লাহ্ পথে প্রিয় পশু ত্যাগ স্বীকার, সন্তুষ্টি করো আল্লাহ্ কে! লোকদেখানো আবশ্যক কী? বিপক্ষতা করে চলে কী কুরবানি ? হালাল পথের রোজগারে সামর্থ্যানুযায়ী পশু, আল্লাহর
কেন জানি আজ সাগরপাড়ে বসে থাকতে ইচ্ছে করছে। চারপাশে মানুষ, আলো, কোলাহল—সবই আছে, তবু মনটা ফাঁকা। বুকের ভিতর জমে থাকা দীর্ঘশ্বাসগুলো যেন মুক্তি চায়, সাগরের বিশালতা দেখে হঠাৎই মনে হয়,
একজন পুরুষ কাঁদে না—এটা সমাজের লেখা আইন। ছোটবেলা থেকে তাকে শেখানো হয়, চোখের জল নাকি দুর্বলতা। বুকের ভেতর জমে থাকা শত শত ঝড়, তবু বাইরে শুধুই নিঃশব্দতা। তার কষ্টের ভাষা