আমেনা ফাহিম আমি যখন ভাঙতে চাইলাম” তোমরা আমার মেরুদণ্ডে ঠুকে দিলে অর্ধশত পেরেক” আমি যখন বাকরুদ্ধ হতে চাইলাম” আমার আত্ম-চিৎকারের ধ্বনিতে প্রতিধ্বনিত হলো পৃথিবীর মহাজাগতিক দেয়াল। না, না তাতেও তোমরা
এবিএম সোহেল রশিদ লজ্জাবতীর কোলে পদ্ম মেলেছে পাপড়ি চার পায়ের ঠুকাঠোকিতে ধোঁয়ার কুণ্ডলি জোছনা মাখা চাঁদরে থৈথৈ আগুন অন্যকিছু চাই না, চাই শুধু বৃষ্টির অঞ্জলি। সুবেহ-সাদিকে হেসেছে কৌমার্য ভোর ঘুম
শাহ সাবরিনা মোয়াজ্জেম নীলের অস্পষ্টতায় কাটে তিন রাত—! গুটিসুটি মেরে থাকে উদাস মোনাক দিন তিনেকের শিশু —! বাবার পায়চারি— খোলা কম্পিত করিডোরে! কাঁচঘেরা ঘরে কেমন কাটে রোদ্দুর বিনে—! খোলা হাওয়ায়
মোঃ ইলিয়াছ আহমেদ মনের মাধুরী মিশিয়ে আমার ভালোবাসার সাত রঙের আবীরে সোনালী আভায় রাঙিয়ে দিবো তোমাকে। নিঝুম দ্বীপের উদাস দুপুরে কোকিলের সুরের মূর্ছনায় তোমাকে গান শুনাব, শিশির ভেজা স্নিগ্ধ ভোরের
মুক্তা পারভীন কতকাল পরে দেখা হবে তোমাতে আমাতে? কোন কাঁশবন কিংবা খোলা আকাশের নিচে। কাশফুল নয়তো বকুল মালায় তুমি করবে বরণ আমায়। আবার কবে দেখা হবে তোমাতে আমাতে? কপালের টিপ
হাফিজুর রহমান হাফিজ এতো সুন্দর করে তাকিয়ে আছো, যেনো জীবন্ত ভালবাসার অবিচ্ছেদ অংশ। ইচ্ছে করছে তোমার পলকহীন চোখের দৃষ্টিকোণে আমার ক্ষুধার্ত চোখের ভালবাসার স্পর্শ মেখে দিতে। দীগল কালো কুন্তল তোমার
তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা টঙ্গী, গাজীপুরে সাহিত্য ফোরামের উদ্যোগে নবীন লেখকদের নিয়ে আয়োজিত লেখক কর্মশালায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বিজয়ী লেখক, নিয়মিত লেখালেখিতে অবদান রাখা,সিরাত
আবদুল গনি ভূঁইয়া বিজলী এলো মোদের ঘরে, জগৎ জুড়ে আলো ভরে। খুশি পেলো হাসি হলো, চিত্ত ভরে ফুর্তি করলো। অঙ্গ-ভঙ্গি খেলা-ধুলায় কথা বলে চোখের ভাষায়। বিজলী ঘরের সবার প্রিয়, মোদের
আলোড়ন সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি আল ওয়াহিদ খুলনার জিয়া হলে আয়োজন করে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। সেখানে চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, নায়িকা পপি ও আমাকে পুরস্কার দেওয়া হয়। বিশাল বর্ণাঢ্য
কাজী নাছিমা সাথী তোমার ঐ মায়াবী চোখে পড়েছে যখন আমার চোখ প্রেম সাগরে ভেসে গিয়েছি খুঁজে নিয়েছি যৌবনের সুখ । কি যে মাদকতা ছড়িয়ে আছে তোমার মায়াবী চোখের চাহনিতে স্বপ্নে