কবি –মজিবুর রহমান এর কবিতা // গ্রীষ্মের বর্ষা বৈশাখ জ্যৈষ্ঠের ভীষণ খরায় জীবজগৎ প্রাণ যখন যায় যায় চাতক চাতকী করে বারি যাঞ্চন। তাদের কথায় দিয়ে তড়িতে সাড়া সর্বশক্তিমান করেন বাদল
গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ মিরপুর শাখা নজরুল ইসলাম জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে নিজস্ব কার্যালয়ে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সাঈদা খানম পাঠানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পুরস্কারপ্রাপ্ত গ্রন্থ উড়ম্বা লেখক
হড় হড় করে বমি করে বিছানা ভাসিয়ে দিলাম আমি।আর মাথা ঘুরে পড়ে গেলাম নিতুলের বুকের উপর।নিতুল একহাতে আমায় জড়িয়ে ধরে অন্য হাতে আমার নাভী চেপে ধরলো। তবুও বমি কমছিলো না।
“ভাবি এই বুড়ো লোকের সাথে আমি সংসার করবো না। বাসর রাতে নিজের প্রিয়ো ননদের কাছ থেকে এমন কথা আশা করে নি তিশা…. একটু থেমে নওরিন আবারও বলে উঠে, – কাল
এই দুনিয়ার সবাই-ই পর কেউতো আপন নয়, আপনারে আপন বলতে সেখানটাতে ভয়। জমি জমা টাকা পয়সা সবই পরে রবে, কেউ যাবেনা সঙ্গের সাথী মিথ্যে মায়া ভবে। মায়া ছেড়ে খাঁচার পাখি
কবি –মোঃ আবু ইউসুফ এর কবিতা // রসিক তুমি কি বলে ডাকবো তোমায় শব্দ খুঁজে হই হয়রান আহ্ গেলো, গেলোরে যেটুকু ছিলো সম্মান! তোমাকে নিয়ে তামাশা করে পড়শি আছে যত
কবি –গুলশান আরা রুবী এর কবিতা // বিদ্রোহী কবি মসজিদের পাশে চির শায়িত আছো প্রিয় কবি, দীপ্তিমান তুমি দীপ্তময় জনতার, মনের উজ্জ্বল ছবি। তুমি সকল মানুষের মনে ভাবনার প্রেমগাঁথা মালা,
ধারের টাকা দিতে না পারলে মেয়ে বউকে বিক্রি করে দে।আমরাই কিনে নিব।” একজীবনে এতটা অপমান কখনোই হননি মুজাহিদ হাসান।এই মুহুর্তে লজ্জায় মাটির সাথে মিশে যেতে মন চাইছে তার।নত মস্তকে ঢোক
শেষরাতের দিকে ছাদ থেকে নেমে ঢুলু ঢুলু চোখে রুমে ঢুকল মাহতিম। বিছানায় তাকিয়েই চোখ কপালে তুলল। দেখল নাক অবধি ঘোমটা টেনে নববধুরূপে জান্নাত এখনো বসে আছে। জান্নাত বিছানা থেকে নেমেই
রাত তখন ১২ টা — মাতোলি পতিতালয়ের সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছে তোহা ! হঠাৎ পিছন থেকে চলন্ত বাইক থামলো তোহার গা ঘেষে । ভারি কন্ঠে অচেনা লোকটি বলে উঠলো —