কবি –-জাহাঙ্গীর আলম সুলতান এর কবিতা // ইরি ধান কাটছে এখন ইরি ধান চাষির মুখে খুশির গান। নেইকো তাহার অবসর আছে সে দৌড়ের উপর। ধান বহিছে শ্রমিক দল ভেজা শরীর
পাত্রপক্ষ দেখতে আসায় লক্ষ্ণী মেয়ের মতো চুপটি করে বসে আছে তোরা।কিন্তু পাত্রকে দেখামাত্র তোরার মাথা যেনো ৩৬০ ডিগ্রী কোনে ঘুরে গেলো।কারন পাত্র আর কেউ নয় তারই প্রেমিক কুশান।❞ ❝কুশানকে দেখে
নিজের বরের কোলে অন্য একটি মেয়েকে এভাবে বসে থাকতে দেখে হাত থেকে খাবারের ট্রেটা ঝনঝনিয়ে মাটিতে আছরে পড়ল। পড়ে যেতে নিয়েও নিজেকে সামলে নিলাম। আকস্মিক এমন ঝনঝন কাচের কোনো কিছু
ম*দ খাইয়ে মাতাল করে লাবন্যর সাথে কয়েকবার শারীরিক মেলামেশা শেষে লাবন্যর ন*গ্ন শরীরের দিকে তাকিয়ে রহস্যময় হাসি হাসলো আয়ান। মনে মনে ভাবছে এত অহঙ্কার এত বড়াই কোথায় গেল আজ। লাবণ্য
আজ মহান মে দিবস উপলক্ষে গাঙচিল খুলনা মহানগর শাখার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা নিউমার্কেট পার্কে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি গাঙচিল বাগেরহাট শাখার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা তৈফুন নাহার। সভাপতিত্ব
হারুনুর রশীদ : সদ্যপ্রয়াত কবি আব্দুল মতিন কচি এবং জিয়াউর রহমান মনিরের স্মরণে শ্রীবরদী গাঙচিলের সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত। ১লা মে সোমবার বিকেলে শ্রীবরদী এপিপি হাই স্কুলের শিক্ষক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ
হঠাৎ করে মেঝেতে ফেলে ছোটো সাহেব আমাকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরেছে.বুকের ওপর থেকে আঁচল টা সরাতেই বড় মায়ের গলা শুনে আমাকে ছেড়ে দিয়েছে. বড় মা ঘরে ঢুকে বললো “মা তুই মেঝেতে
কবি –-গুলশান আরা রুবী এর কবিতা // জোয়ারে ভাসা জীবন ———–গুলশান আরা রুবী চলমান জীবনে দেখেছি কত যে জোয়ারে ভেসেছে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের মেলা , সিন্দুর পারের জোয়ারের ভাঙ্গনের খেলা
কবি –-গুলশান আরা রুবী এর কবিতা // রক্তকণিকা _____/গুলশান আরা রুবী খোলাসা আচরে কাটছে জীবন, খুঁজেছি অমৃত সুধার অমূল্য ধন। এক সাঁকো থেকে অন্য সাঁকো পার হই, খুঁজতে খুঁজতে শ্বাস
কবি –-গুলশান আরা রুবী এর কবিতা // “স্বদিচ্ছা” ……গুলশান আরা রুবী ইচ্ছেগুলো আঁখি কোণে- হৃদয়ের অভিপ্রায় বুনে উনুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন প্রত্যাশা তাই মেঘাচ্ছন্ন। স্বদিচ্ছা কেন ভেঙে যায়- যে ইচ্ছায় শত