সাংবাদিক, লেখক ও ছড়াকার আতিক হেলাল কুষ্টিয়ার কৃতী সন্তান। ১৯৮৬ সালে আতিক হেলালের লেখালেখি শুরু। মাধ্যমিক স্কুলে পড়ার সময় থেকেই তিনি লেখালেখি ও সাংবাদিকতায় সম্পৃক্ত হন। তার প্রথম লেখা (ছড়া)
কেউ একজন আসুক এই অবেলায় – না হয় ছুয়ে দিয়ে যাক না, মনের অলিগলি — দোষ কি তাতে? হোক না কালো চশমার আড়ালে একটু আড় চোখে —চোখাচোখি। ক্ষণিকের জন্য না
রুখে দাঁড়াও কলম সৈনিক কলম হাতে নিয়ে, অপরাধীর মুখোশ খোলো লেখার মধ্য দিয়ে। ন্যায়ের পক্ষে চালাও কলম কবি লেখকগণে। প্রতিবাদটি করতে হবে সাহস রাখো মনে। লেখক কবি যোদ্ধা তুমি ন্যায়ের
জমির বুকে আবাদ করে এসো ফসল ফলায় খাদ্যসংকট—দূরে রবে এ দেশ থেকে পলায়। আবাদ করলে প্রতি জমি হবে অনেক দামি। বসে না ভাই থেকে সবাই জমি চাষে নামি। সাধ্যমত —সকল
আগস্টের শোক ছায়ায় বিষণ্ণ সবার মন, পরাধীন হয়নি মুজিব শত্রুর পক্ষে করেনি আপস! মুজিব ছিল বাংলার বীর একাত্তরে নেতৃত্বদানে, শত বাধা বিঘ্ন লড়াই সংগ্রামে সোনার বাংলাদেশ কে করেছিল জয়। চারিদিকে
মহাকালের স্রোতে ভেসে চলা নব দিগন্তের অন্তিম কোনে রেখো আমায়; তোমার রাজপ্রাসাদের ব্যালকনিতে ফুটে যাওয়া রক্ত জবা, গোলাপ, বেলি আর হাসনাহেনার সৌরভ ছড়াক দিনময়। নির্ভেজাল অনুভূতির চাপা দীর্ঘশ্বাস, উৎকন্ঠিত শিহরণ,
বউটা তোমার খুব সুন্দরী হচ্ছে বলাবলি হাঁটা চলায় আভিজাত্য দেখতে গোলাপ কলি। তুমি তো ভাই বেজায় খুশি হাওয়ায় ভাসাও মন ভাসতে গিয়ে ভুলে গেছ বউটা গুপ্তধন। ভুলে গেছ গুপ্ত ধনের
দিবা করের আলো হয়ে আঁধার টাকে দিব সরিয়ে রোজ প্রভাতে। দিবস তোমায় রং ছড়াবো প্রকৃতির এই হরিৎের রং বাহারে। সাগর জলে ডুববো রোজ প্রেম কুঁড়াবো ঝিনুক মাঝে মুক্ত হয়ে, অথৈজলে
আসুন সবাই বাঁচার পথে কেয়ামতের দিন হাসিমুখে শোধ করে দেই যত আছে ঋণ। এবার আসুন ঋণকে জানি কেনো করবো শোধ শোধ না হলে কেমন হবে ঋণের প্রতিশোধ। ভাবছেন হয়তো পড়শি
আবার আসো ফিরে এই বাংলায় হে শ্রেষ্ট বীর শেখ মজিব। আবার তোমার হয়েছে দরকার সবুজ বাংলার গায়। লাখো জনতা আবার তোমায় কাছে পেতে চায়। এখনো তোমার বজ্্র কন্ঠ সবার কানে