ইট পাথরের এই শহরে আমি বড্ড একা— ভীড়ের ভেতরেও নিঃসঙ্গতার অদৃশ্য দেয়াল তুলে দাঁড়িয়ে আছি। অসংখ্য মানুষের পায়ের শব্দ শুনি, তবু কেউ আমার জন্য থামে না, কেউ আমার চোখের ভাষা
আমরা যুবক আমরা তরুণ আমরা নবীর শান, খালিদ ওয়ালিদ ওমরের মতন রাখবো ধরে মান। হাসান হোসাইন মোদের নেতা যুব সমাজের তরী, জামায়াতের আমরা সৈনিক আদর্শ জীবন গড়ি। যুব বিভাগের আমরা
গহীন নির্জনে, স্মৃতি এসে কড়া নাড়ে, অনাহত মনের ঘরে— ধুলো-জমা আর্শিতে—বেহিসেবী জীবনের হালখাতা মেলে ধরে : জীবনের প্রথম পাতা, মাতৃ আদরে আদরে—কী যে যত্নে লেখা, মায়াবী চাঁদের জোছনায় ধুয়ে ধুয়ে
ভোর বেলাতে জাগছে তারা কাজ চালাতে দুই, মেশিন চলে খটখটানি স্বপ্ন বোনে সুই। হাজার রঙের সুতো দিয়ে কাপড়গুলো ধুই, নিজের সুখের বাগানটাতে রোপণ করি জুঁই। উঁচু বাড়ির সাহেব তারা আমরা
রঙের পসরা এখন পৃথিবীময়। যতটা রঙিন করা যায় নিজেকে তেমনই করে সাজতে ও সাজাতে পছন্দ করছে ইদানীং। রং মেখে সং সাজা নিত্য যাত্রা যেন হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রকৃত রং কোথাও হারিয়ে
পরম প্রিয় দাদির ছিল আদর মাখা মুখ, দেখলে দাদির সোনা মুখটা পেতাম মনে সুখ। দাদির সাথে খুব আদরে ছোট বেলা কাটে, দাদির হাতটা ধরে যেতাম ফসল ভরা মাঠে। গাঁয়ের বাড়ি
ভোর বেলাতে জাগছে তারা কাজ চালাতে দুই, মেশিন চলে খটখটানি স্বপ্ন বোনে সুই। হাজার রঙের সুতো দিয়ে কাপড়গুলো ধুই, নিজের সুখের বাগানটাতে রোপণ করি জুঁই। উঁচু বাড়ির সাহেব তারা আমরা
তলার হাওরে ঢেওবোনা জল ধনুগাঙ্গের দুঃখ জাগানিয়া চোখ অথবা অতীত! জড়তার মৌসুমে বাতাসের ঘুঙুর, যারা আজো নামধারী হৃদমৈথুনের -তোমরা চেন আমায়! আমি তো দুরের কেউ নই কতোবার বলেছি হে হিজল
যার ঘর নেই, তারও তো সন্ধ্যা নামে— আকাশের রঙ বদলায়, হাওয়া নরম হয়, তবুও তার ফিরে যাওয়ার কোনো ঠিকানা থাকে না। তবু সে দাঁড়িয়ে থাকে, একটা অদৃশ্য দরজার সামনে, যেখানে
আল হামদুলিল্লাহ আমার ৬ দিন শেষ জানিনা আল্লাহ পাক কবুল করেছেন কিনা! তবে আমার কাছে লাগছে কিন্তু বেশ। এখনও সময় আছে প্রায় ১৭ দিন বাকি যারা শুরু করেননি এখনও আশা