ছাত্র-জনতা ভীষণ চটেছে রক্তে রাঙিয়ে মুক্তির ভূমি, স্বৈরাচারী দল পিছু হটেছে বিজয়ের গান গাও আজ তুমি। বুলেট ও বোমা পরোয়া না করে বুকে পেতে নিল তাজা শত প্রাণ, গণতন্ত্র আজ
একা থাকাটাই কিন্তু সর্বোত্তম থাকা আসছি একা ভবে যেতে হবে একা ভবতরী পাড়ি দিয়ে অজানা অচেনা ঐ সেই সাড়ে তিন হাত অন্ধকার ঘরে। তাই একা চলতে পারাটাই উত্তম যার কোনো
শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্ক মানবজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বন্ধন। যার ভিত্তি হলো বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা। ছাত্রের প্রথম কর্তব্য হলো শিক্ষকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ও সবসময় বিনম্র থাকা। যেমন পিতা-মাতা সন্তানের
প্রেম মানেনা জাতিকুল মরুর বুকে ফোটে ফুল, প্রেমের কাছে সব তুচ্ছ ধনী গরীব কিবা উচ্চ। মনের মিল যদি হয় বয়স কোনো বাধা নয়, প্রেম মানেনা কোনো বাধা যে মানে সেই
আষাঢ় আর শ্রাবণের ঝিরঝির বৃষ্টি, থোকা থোকা ফুলে যেন কেড়ে নেয় দৃষ্টি। বর্ষা শোভিত হয় প্রকৃতির ধোঁয়াতে, আনন্দ ছন্দটা বৃষ্টির ছোঁয়াতে। কদম ফুলের শোভা ছড়ায় সুগন্ধ, ছড়াকার তুলে ধরে ছড়া
সূর্য আমার উদয় আলো চন্দ্র হ্যাজাক লাইট, মেঘের ভেলায় চড়ে আমি বিশ্ব করবো টাইট। উল্কাকে মারণাস্ত্র বানাবো তারাকে বানাবো ডালি, আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি দিয়ে বানাবো লেখার কালি। দ্যুলোক, ভূলোক, বিশ্বলোক সবকিছু
আমি তো শুধু তোমাকেই চেয়েছি বহুবার বহু রুপে অনুভব করেছি তোমার স্পর্শ, তোমার উষ্ণতা। তুমি যতবার আঘাত করেছ ততবার আমার নতুন জন্ম হয়েছে আমি বুঝতে শিখেছি জীবন কী! পরম মমতায়
একই বিশ্ববিদ্যালয়, একই বিভাগের নীল বিকেলে পাশাপাশি হেঁটেছি কতদিন। কথা হয়নি কখনো, শুধু চোখে চোখ রেখে নীরবতার ভাষা পড়েছি। তোমার দৃষ্টির ভাঁজে লুকিয়ে থাকত অচেনা এক কোমল স্বীকারোক্তি। আমার চোখও
তুই কেমন করে এতটা পথ পেরিয়ে এলি অবনী? ২৯ বছরের পথ পরিক্রমায় তোর হৃদয়ের দহন কেউ কি বুঝিনী? তোর নিখাদ হাসির মাঝে কষ্টরা কিলবিলিয়ে ঝরতো, তোর নিটল চাহুনীর তারায়, শুকতারার
যে মানুষের অনবরত দুখের সাথেই বসবাস যে দুঃখকেই গিলে ফেলে খাবার হিসেবে সে মানুষের ভাতের খিদা লাগে না— কারণ তাদের ক্ষুধা পেটে নয়, জন্ম নেয় হৃদয়ের গভীরতম অন্ধকারে। তাদের বুকের