হাফিজুর রহমান হাফিজ এতো সুন্দর করে তাকিয়ে আছো, যেনো জীবন্ত ভালবাসার অবিচ্ছেদ অংশ। ইচ্ছে করছে তোমার পলকহীন চোখের দৃষ্টিকোণে আমার ক্ষুধার্ত চোখের ভালবাসার স্পর্শ মেখে দিতে। দীগল কালো কুন্তল তোমার
আবদুল গনি ভূঁইয়া বিজলী এলো মোদের ঘরে, জগৎ জুড়ে আলো ভরে। খুশি পেলো হাসি হলো, চিত্ত ভরে ফুর্তি করলো। অঙ্গ-ভঙ্গি খেলা-ধুলায় কথা বলে চোখের ভাষায়। বিজলী ঘরের সবার প্রিয়, মোদের
কাজী নাছিমা সাথী তোমার ঐ মায়াবী চোখে পড়েছে যখন আমার চোখ প্রেম সাগরে ভেসে গিয়েছি খুঁজে নিয়েছি যৌবনের সুখ । কি যে মাদকতা ছড়িয়ে আছে তোমার মায়াবী চোখের চাহনিতে স্বপ্নে
হুমায়ুন মোহাম্মদ চব্বিশে নভেম্বরে একটি সেমিনারে যাই ঢাকার বাংলামটরে সতেরো তলা রূপায়ন সেন্টারে; হেমন্তের ধূলিবেলায় উঠি ছাদতলায়- পুব আকাশে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে অস্তরাগ পশ্চিম আকাশে, অনেক বহুতল ভবন দেখা যায়
ফারুক জাহাঙ্গীর প্রিয় সকালের সোনাঝরা রোদ, বলো গিয়ে তারে আমার কথা….. তারে বিনে আমি ভালো আছি…… এই তো, বেশ আছি। – হু, দিয়েছি বলে, শুনে মৃদু হাসলো শুধু তোমার প্রেমী
সানজিদা রসুল হ্যাঁ আমি সেই নারী, যাকে স্রষ্টার সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি বলা হয়। আমিই সেই নারী, যে হয় কবির কবিতা ও কাব্যের নায়িকা। হ্যাঁ আমি সেই নারী, যে তোমাদের তরবারি
“বৃষ্টি মিনা” কেউ কি আছে করিবে আমায় পরিপূর্ণ বিশ্বাস? যদি কেউ থাকে তার জন্য বাজি আমার নিঃশ্বাস, কাউকে বিশ্বাসের আগেই অবিশ্বাসের ভয় কেউ কি আছেন আমাকে করবে জয়? সবাই মনে
ইমরোজ সোহেল (হাসপাতালের বেদনার্ত বেডে নিদ্রাহীন কিংবদন্তি আবৃত্তিশিল্পী পরম প্রিয় জাহান বশীরকে তাঁর জন্মদিনে উৎসর্গীকৃত।) সুখের চাকা উলটো পথে রথের মতো চলার নামই অসুখ। বেদনার নীল গহ্বরে ডোবার নামই অসুখ
মুক্তা পারভীন পুরুষ তোমায় ভীষণ ভালোবাসি অনুরাগে যার হাতটি ধরে সংসার জীবনে আসি। পুরুষ তোমায় করি অকুন্ঠ সম্মান সুন্দর পৃথিবীর আলো বাতাস পেতে যিনি দিয়েছো জন্মদান। পুরুষ তোমায় রেখেছি স্নেহ
প্রতাপ মণ্ডল তুই এলি শিশির পাড়িয়ে অঘ্রাণে, যখন হেমন্তের শেষবেলা আকাশটা কুয়াশায় মাখামাখি, কখনো মেঘ-রোদ্দুর খেলা, পৌষের বেলা শুরু হতে বেশী নেই দেরী মেঘেদের জটলা, বৃষ্টি আসুক এলোপাথারি তুই আমি