কবি –মোঃ পারভেজ সরকার এর কবিতা // এই মেয়ে নাম কি তোমার–? বলে যাও প্রেম বালা তুমি হেসে যাও.! আমি বিভোর বিস্মিত হই নীল গগনে চোঁখ বুলাই একটু শান্তির আশায়,
কবি –ফাতেমা হক মুক্তামনি এর কবিতা // অস্পষ্ট মুখ ইদানিং ক্রমশ অস্পষ্ট হচ্ছে তোমার স্মৃতি নতুন নতুন স্মৃতির অতলে তলিয়ে যাচ্ছে সব, মানুষের জীবন বড্ড বেদনাদায়ক ___ এখানে কষ্টের স্মৃতি
এই দুনিয়ার সবাই-ই পর কেউতো আপন নয়, আপনারে আপন বলতে সেখানটাতে ভয়। জমি জমা টাকা পয়সা সবই পরে রবে, কেউ যাবেনা সঙ্গের সাথী মিথ্যে মায়া ভবে। মায়া ছেড়ে খাঁচার পাখি
কবি –মোঃ আবু ইউসুফ এর কবিতা // রসিক তুমি কি বলে ডাকবো তোমায় শব্দ খুঁজে হই হয়রান আহ্ গেলো, গেলোরে যেটুকু ছিলো সম্মান! তোমাকে নিয়ে তামাশা করে পড়শি আছে যত
কবি –গুলশান আরা রুবী এর কবিতা // বিদ্রোহী কবি মসজিদের পাশে চির শায়িত আছো প্রিয় কবি, দীপ্তিমান তুমি দীপ্তময় জনতার, মনের উজ্জ্বল ছবি। তুমি সকল মানুষের মনে ভাবনার প্রেমগাঁথা মালা,
কবি –জাহাঙ্গীর আলম সুলতান এর কবিতা // দুখু মিয়া একটি ছেলের গল্প আমি বলবো তোমাদের। সেই ছেলেটি সবার প্রিয় কবি আমাদের। ভাল্লাগেনা বাধা ধরা নিয়ম পাঠশালার। স্কুল পালানো ছেলে ছিল
হঠাৎ!”প্রথম আলো” পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় নিচের একটা সংবাদে,চোখ আটকে গেলো আমার।সংবাদটা দেখে অঝোরে ঘাম ঝরতে লাগলো শরীর বেয়ে। সংবাদ নয় বলতে গেলে বড় সড় এক বিজ্ঞাপনের এড।প্রথম পৃষ্ঠার একদম নিচে
কবি –সৈয়দ ইসমাইল হোসেন জনি এর কবিতা // মনের বেদন বে-ভুলা মন মায়ার বাধন খোঁজে সে ধন লোভের কারণ , মোটেও তার হয়না চেতন বোঝে না আর আত্মার বেদন ।
কবি –দেলোয়ার হোসেন বাবন এর কবিতা // অকালে আকাল গেলো বছর কেমন করে বসন্ত সেজেছিলো কিছুই বলতে পারবোনা বসন্তের যৌবনপোড়া ধূসর হরিতা পত্রগুলি কিভাবে ঝরেছিলো তাও বলতে পারবোনা। বৈশ্বিক খরতায়
কবি –মোঃ শহীদুল্লাহ সরকার এর কবিতা // ভূতের গল্প ভাতের থালা হাতে নিয়ে, ডাকছে খোকার মায়, ভাত তরকারি ঠান্ডা হলো, আয়রে খোকা আয়। ঘুমের দেশের নীল পরীরা, ডাকছে তোমায় এসে,