আমিনা খাতুন দিপা সুন্দরের পূজারী আমি; বছরের পর বছর ধরে ঠায় দাঁড়িয়ে আছি; সহস্র রজনী জেগে আছি শুধু তোমাকে দেখার নেশায়। তুমি অমাবশ্যাতে হারিয়ে যাও, তলিয়ে যাও তিমির গহ্বরে, আবার
বীর অরণ্য এই তো সেদিন তোমাকে দেখতে দেখতে, অবেলায় দিনটা শেষ হল সনাতন নিয়মে দুপুর গড়িয়ে সাঁঝ হল। তোমাকে দেখবে বলে হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা মত পিছনে ছুটতে লাগলো রাতের হরেক রকম
পি এম জাহাঙ্গীর আলম আসলে বিপদ ঘাড়ের তীরে ছুটে চলে পাগল বেশে হাতে পায়ে জড়িয়ে ধরে দরবেশ সেজে মুরিদ খোঁজে বিপদ কেটেলে কেটে পড়ে দরবেশ বাবা আঁখি বন্ধ করে তখন
আসাদ বিন হাফিজ আমাদের নদীগুলো উত্তরে যায় যায় আর হেঁটে হেঁটে চানাচুর খায় মুখে বলে, কই তোরা, আয় বুকে আয় গিয়ে দেখি ঘোড়াগুলো হাঁটে তিন পায়। নদী দিয়ে কত কত
বেলায়েত হোসেন এখনো আমার সম্পর্কে তোমার প্রত্যাশা দিগন্তে হারানোর মত নয়, শেষ হবার কথা নয়, কুঁড়ির আড়ালে লুকানো বিকশিত ফুলের সম্ভাবনা শেষ হবার কথা নয়, ডিমের আড়ালে লুকানো প্রাণের বিকাশ
মানুষ যখন ফানুস হয়ে যায় সুনির্মল বসু আমাদের পাড়ায় এক ভদ্রলোক আছেন, সব সময় তিনি ভুল ইংরেজিতে কথা বলেন। অথচ, মাতৃভাষায় কথা বলায় তাঁর প্রবল বিরক্তি। প্রায়ই বলেন, বাংলা ভাষাটা
ডা. মুহসিনা খানম একটানা আলো কিংবা একটানা আঁধার কোনোটিই স্হায়ী হয় না! তাই জীবনের আলোকিত সময় ভালোবাসাময় মূহুর্তটুকু বা মূহুর্তগুলো লালন করা উচিৎ সুন্দরভাবে বাঁচতে। তাহলেই ঘোর অন্ধকারেও বেঁচে থাকা
রশিদ হারুন মানুষ শখ করে কতো কিছু যে কিনে ফেলে, আমি একটা অসুখ কিনেছিলাম!! গলির মোড়ে এক ফেরিওয়ালা চিৎকার করে ফেরি করছিলো- “অসুখ কিনবে নাকি বাবুরা, একেবারে টাটকা অসুখ, জীবন্ত
নূরুন্নাহার ফয়জুন মাগো আমি অবাধ্য মেয়ে বলছি তবে শোন, দিনকে আমি রাত বলব কি করতে পার? রাতের বেলা খেলাধুলা দিনের বেলা ঘুম, সকাল বেলা ঘুরিফিরি পড়াই নাইকো মন ! পাড়াই
আমিনা খাতুন দিপা নীলিমা যেন গাঢ় নীলের উপর সাদা রং, এ-যেনো কোনো শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি। আমি তুরাগ নদীর তরীতে বসে আছি; নদীর পানির জোয়ার ভাটার সাথে চলছে বাতাসের ভীষণ