বৃষ্টি মিনা” দীর্ঘ বার মাস পর আবারো একটি বছরের বিদায়,নতুন বছরের শুরু, প্রতিটা বছর হারিয়ে নতুন বছর পাওয়া সৌভাগ্য মানুষের চরম পাওয়া বটে। সবার মনে জমে আছে শত স্মৃতি ক্রোধ,
কনক বিশ্বাস দিনের সুর্য গিয়েছে অস্তাচলে নামিছে সন্ধ্যা আলোকিত রূপ লয়ে ঘরে ঘরে জ্বলছে প্রদীপ শিখা আযান আর উলুধ্বনিতে শুনি নতুনের বারতা। হে প্রিয় পরম তোমারে করি স্মরণ লহো প্রনাম
শাহনাজ পারভীন মিতা রাত গভীরে নিকষ কালো আঁধারে কষ্টেরা এসে দাঁড়ায় দরজার ওপারে, যতই দরজা বন্ধ করি অথচ কতগুলো চোখ শুধুই, চোখ মেলে তাকিয়ে থাকে আমারই পানে। কখনও দেখি লাল
সুনির্মল বসু ঢেউ খেলানো টিলা পাহাড়, রাতের জ্যোৎসনা, পাহাড়ি খাঁজে চাঁদ, ঝাউ বীথি, ঝর্ণা ,দেবদারু বন, স্মৃতির পাড় ভেঙ্গে দিয়ে যায়, এমনই মায়ারাত ছিল সেদিন, বনবাংলোর ঝুল বারান্দায় সেদিন দাঁড়িয়ে
মুক্তা পারভীন মাঝে মধ্যে ভিতরটা একদম অগোছালো লাগে বহু প্রতীক্ষার রজনী কাটিয়ে হঠাৎ দেখা মধ্য রাতে তোমার স্মৃতিগুলোর সাথে দুরারোগ্য ব্যাধির মতো জড়িয়ে রাখে নিরবে রাত্রির নিস্তব্ধতায় একাকী জেগে থাকি
অধরা আলো তুমি এলে, এলে বুঝি শত প্রহরের শেষে, গিয়েছে চলে জীবনের কতটা সময়। এক এক বছরের অপেক্ষা কুড়িয়ে কুড়িয়ে হাতের মুঠোয় ফেরারি সময় করেছি সঞ্চয়। আজ তুমি আসবে নতুন
রাজনা চৌধুরী ছোট্ট বেলায় ভীষণ জ্বালাতন করতাম মাকে, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গল্প শুনার জন্য। বিষেশ করে ঘুমানোর সময়—- মায়ের বুকে মাথা রেখেই শুরু হতো আমার জ্বালাতন; যতক্ষণ মা গল্প শুরু না
আমেনা ফাহিম হৃদয়ের প্রশস্ততা মাপার যদি যন্ত্র থাকতো! তবে মানুষের হৃদয়টা মেপে দেখতে চাইতাম” বেশিরভাগ মানুষই কেমন সংকীর্ণমনা। কেউ কারো অনুপ্রেরণা হতেই চায় না, সবাই কেমন পিছন থেকে টেনে হিচরে
সুনির্মল বসু কিছু পাবো বলে ভালবাসতে আসিনি, কিছু দেবো বলে ভালবাসতে এসেছিলাম, এই কথাটা তোমাকে বোঝাতে গিয়ে বেকুব বনে গেছি, আমার দিকে ফিরে তাকাবার তোমার অবকাশ কোথায়? তোমাকে ঘিরে কতজন,
কুদরত রাহমান খুব একটা ভাবিনা সামনে চলার বদ অভ্যাসটা বদলে নিতেও পারিনা, তেমন কিছু দেখিনা মনু যেমন খুশি তেমন চলুক মাথায় চাপটা নিইনা। কথা বেশি বলিনা কোন কথাতে কে যে