অহমিকা জীবনের পতনের মুল কেউ তাকে মনে পুষে করো নাকো ভুল। যতো বড়ো বিদ্যান-ই হও তমি ভবে সবই তার নিস্ফল পিছু পড়ে রবে। গুণীজন আকাশের উজ্জ্বল তারা আপনারে লুকায়ে সে
ঘুম ভেঙেছে ভোরে কুসুম কোমল রবিরশ্মি পড়েনি চোখে। আলোহীন গুমট আবছায়া অন্ধকার কংক্রিটের পাথর ঘর, টাপুরটুপুর একটানা বৃষ্টির ঝুমুরঝুমুর শব্দ আসে না কানে। সাদা কালো মেঘের ভেলা দ্রুতলয়ে ভেসে যাওয়ার
আছে মানুষ শতশত সকাল থেকে সন্ধ্যা অনবরত গীবতেরত। হেসে হেসে কেশে কেশে করে যে হরেক রকম গীবত। না জেনে তার ফজিলত! দেখিয়া শুনিয়া মনে হয় গীবত করা যেন তাদেরই উপর
আজ আমি কষ্ট থেকে মুক্তির সূত্র পেয়েছি। এখন থেকে আর কষ্ট পাবো না— কারণ কষ্ট দেয় একটাই হাত, যে হাতকে আমি “আপন” বলেছি। আমি বুঝেছি— আপন মানুষই সবচেয়ে ধারালো আঘাত
ম্যাচুরিটি মানে শুধু বয়স বাড়া নয়, তা মানে ঝড়ের ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা— মনের গভীরে জ্বলে থাকা আগুনের ফুলকি, যা কেউ দেখে না, তবু তুমি জানো তার উত্তাপ কেমন। এ আগুন
প্রতিটি বিদায় কি মৃত্যু ফিরে আসা কি পুনর্জন্ম বিদায় পৃথিবীর বাসিন্দা আমরা কোহ-কাফ পরিণাম প্রত্যেকের ফিরেআসাদের কেউ গ্রহণ করে না তাদের সঙ্গী হয় মৌমাছিগণ তারা আগুনের হাত ধরে নাচে পাথরের
ঐ দুর সীমানায় দাঁড়িয়ে আছো যেন আমার চেখের কোণে তুমি, নীল পাহাড়ের পাদদেশে কি যে সুন্দর লাগছে তোমায় ভাবছি সেটা আমি নীল পাহাড়ের সবুজে ছায়ার দাঁড়িয়ে আনমনে কি তুমি ভাবছ
এই মৃত্তিকাই আমাদের অস্তিত্ব স্মরণে রেখো,বিক্ষুব্ধ তরঙ্গ মাঝে পথের ঠিকানা পাহাড়ী ঝরণা বেগে আবেগে ভেদরেখাহীন সীমান্ত। দশদিক মন্থন শেষে একটি প্রান্তবিন্দু,কাঙ্খিত জানালা দুর্গম অরণ্য ছিন্ন ভিন্ন করে নেমে আসা নদীর
স্বাধীনতা দিবে, নাকি মৃত্যু দন্ড দিবে? আমি ভয় করিনা থাকিনা আতঙ্কিত। আমরা স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাই, নইলে গলায় দিবে ফাঁসি এটাও চাই! আমি পণ করেছি যাবো না ঘরে ফিরে, বুক
তুমি চলে যাওয়ার পর থেকে আমি আর কবিতা লিখি না। শব্দগুলো রাগ করে দাঁড়িয়ে থাকে জানালার ধারে, আকাশের দিকে চেয়ে থাকে— যেন কেউ আর আসবেনা তাদের জন্য। বুকের অরণ্যে জমে