রঙের পসরা এখন পৃথিবীময়। যতটা রঙিন করা যায় নিজেকে তেমনই করে সাজতে ও সাজাতে পছন্দ করছে ইদানীং। রং মেখে সং সাজা নিত্য যাত্রা যেন হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রকৃত রং কোথাও হারিয়ে
পরম প্রিয় দাদির ছিল আদর মাখা মুখ, দেখলে দাদির সোনা মুখটা পেতাম মনে সুখ। দাদির সাথে খুব আদরে ছোট বেলা কাটে, দাদির হাতটা ধরে যেতাম ফসল ভরা মাঠে। গাঁয়ের বাড়ি
ভোর বেলাতে জাগছে তারা কাজ চালাতে দুই, মেশিন চলে খটখটানি স্বপ্ন বোনে সুই। হাজার রঙের সুতো দিয়ে কাপড়গুলো ধুই, নিজের সুখের বাগানটাতে রোপণ করি জুঁই। উঁচু বাড়ির সাহেব তারা আমরা
তলার হাওরে ঢেওবোনা জল ধনুগাঙ্গের দুঃখ জাগানিয়া চোখ অথবা অতীত! জড়তার মৌসুমে বাতাসের ঘুঙুর, যারা আজো নামধারী হৃদমৈথুনের -তোমরা চেন আমায়! আমি তো দুরের কেউ নই কতোবার বলেছি হে হিজল
যার ঘর নেই, তারও তো সন্ধ্যা নামে— আকাশের রঙ বদলায়, হাওয়া নরম হয়, তবুও তার ফিরে যাওয়ার কোনো ঠিকানা থাকে না। তবু সে দাঁড়িয়ে থাকে, একটা অদৃশ্য দরজার সামনে, যেখানে
আল হামদুলিল্লাহ আমার ৬ দিন শেষ জানিনা আল্লাহ পাক কবুল করেছেন কিনা! তবে আমার কাছে লাগছে কিন্তু বেশ। এখনও সময় আছে প্রায় ১৭ দিন বাকি যারা শুরু করেননি এখনও আশা
শেষ বিচারে বিধর্মীরা জাহান্নামে যাবে, চিরদিনের তরে জীবন সেথায় তারা পাবে। গুনাহ করা মুসলিমেরা দোযখি ঐ হবে, দুঃখ–কষ্ট ভীষণতর সইবে তারা সবে। সেই যাতনা ভয়াবহ অগ্নি গহীন তলে, মেয়াদ শেষে
আমি একটি রাতের গল্প জানি যে রাতে চাঁদ উঁকি দেয়নি। নক্ষত্ররা নিরবে কেঁদেছে। কামিনী ফুলের ঘ্রাণে ছিল বিষাক্ত শ্মশানের বিচ্ছেদ গন্ধ! গোলাবারুদ এর আওয়াজ বাতাস ভারী হলো! গোলাগুলি শুরু হলো।
বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা কেনা, দেশের জন্য প্রাণটা দিলো লক্ষ মুক্তিসেনা। দেশকে স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধ জয়ে গেলো, যুদ্ধে গিয়ে প্রাণটা হারায়, কেউবা ফিরে এলো। পাকবাহিনী করলো গুলি ঝাঁঝরা
তোমার জীবনে চিরকাল নিষিদ্ধ বর্ণমালা হয়ে থাকবো? কখনও শব্দের মিছিলে যোগ দিতে পারাবো না? মিষ্টি রোদের মত বাক্যের সুরেলা ছন্দে হাসতে পারবো না? আমার ছলছল চোখ আজীবন অশ্রুর জলাবদ্ধতা নিয়ে