তোমার তো ভাই অনেক সুখ একটু আমায় দাওনা তোমার মত সুখে থাকি তুমি এটা চাওনা? খাচ্ছ তুমি নাচ্চ তুমি আমি কেন কাঁদবো তোমার মতো সুখী হতে কোমর বেঁধে নাচবো! তোমার
বিবেক জেনে করিতেছ পাপ আবেগের দোষ কি তাতে! হারাম জানিয়া খাচ্ছ সুদ অন্যের উপর করিয়া জুলুম সৃষ্টি, ফাইল ঠ্যাকিয়ে খাচ্ছ ঘুষ মিথ্যা ছলনায় ভাব ধরে। নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য উচ্চ
স্বাধীনতার কথা বলে অসভ্যতার পথে চলে, নেই তো কোন মান, শালীনতা ভুলে গিয়ে ছোট্ট পোশাক গায়ে দিয়ে করে কত ভান। মূল্যবোধের ভীষণ অভাব মন্দ কর্ম করা স্বভাব চরিত্রের নাই ঠিক,
আধাঁরে ছেয়ে যায় পৃথিবী ফিরে কয়েক ঘন্টা পরে জীবনে আঁধারে ঢাকে যখন কেউ আর না ফিরে। অস্ত যায় রবি শশী নিয়মের মধ্যে ঘুরে ফিরে জীবন গল্পের অস্ত গেলে কেউ না
ছোট কাল ছিল কষ্টের বাবা ছিল না বেঁচে জীবন সংগ্রামে করেছেন যুদ্ধ আরব আমিরাতের দেশে। প্রবাস জীবন ব্যাবসা করেন দেশের মায়া ছেড়ে বছর শেষে দেশে আসেন ছয় মাসের ছুটি নিয়ে।
খোঁজার অভিলাষ প্রত্যহ অলস নীলিমায় বেশি কিছু নয় অন্য এক আকাশ সীমানায় , যেই হাত বাড়াই,,অনেক বড় কি উদারতা? কল্পনা ফানুস হয়ে উড়ে ঘুড়িচিত্রের কাম্যতা। চেয়েছি শুধু একটি শক্ত-হাতের বিশ্বস্ততা
বহু পথ মাড়িয়েছি বহু ঘাটে নেমেছি বহু জনের সাথে হয়েছে পরিচয় হয়েছে ভালো মন্দ কথা অনেক। আছে সবাই উন্নত হতে কোনো না কোনো দিক আবার পেয়েছি এরই মাঝে খুঁজে কারো
০১/আমি জেলখানা থেকে বলছি মোঃমেহেদী হাসান আমি একটি ছোট্র শিশু পেটের ক্ষুধা মিটানোর জন্য কতো মানুষের দরজায় দরজায় গিয়ে ছিলাম। কেউ দেয়নি আমাকে কোন খাদ্য দ্রব্য, সবাই আমাকে তারিয়ে দিয়েছে
রাসেল নামের সেই ছেলেটি একটি ফুলের কলি, জোছনা রাতের চাঁদেরকণা তার কথা আজ বলি। হাসতো খেলতো বাবার সাথে মায়ের চোখের মনি বাঙ্গালীদের মনের মাঝে রাসেল সোনার খনি। সেই রাসেলের বুকে
হিংসা আর প্রতিহিংসা রয় না এক কক্ষে ঝগড়া বিবাদ হয় না কখনো এক পক্ষে, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অন্তঃ জালা গুলো ধারণ করে রাখে বক্ষে সুখের আশা গুলো এ-ই সুযোগে খেয়ে যায়