শীতল বালু ঘুমিয়ে আছে হাঁটতে দারুন লাগে! ধীরে ধীরে সূর্যের তাপে ঘুম থেকে সে জাগে। নিভু চুলায় গুপ্ত শিখা জ্বালায় অন্তর ভেলা, ঘুমন্ত আজ লাভাগিরি জ্বলছে অগ্নি খেলা। উল্কা থেকে
এসো সবাই মাজার গুলো ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেই, এই বঙ্গতে পীর আউলিয়া মাজারের ঠাই নেই। সুন্নত মেনে ফতোয়া দেয় মাজার ভেঙ্গে দাও, মুসলিম হয়ে কুফর শির্ক থেকে বাঁচতে চাও। এমন বাণী
নদীর তীরবর্তী কাশবনের অভয়ারণ্য চারিদিকে শরতের আগমনী গুঞ্জরন, সাদা আকাশ নীলে নীলকন্ঠি কাঠ গোলাপ শিউলি ফুলে সাজানো কাশফুলের আঙিনায় তোমার আলিঙ্গন, তোমার স্পর্শ পাবার আকুলতা তুমি যাবে নাকি আমার সাথে?
পৈশাচিক অন্ধকার নাকি আজাব নির্ঘুম রাত নাকি, অলস মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষের বায়বীয় শকুনের উড়াউড়ি—! মুখোশে মুখ বন্ধ ছিলো—! মুখোশের লাগাম খুলে দিলেন আপনারাই। হ্যাঁ শ্বাস নিচ্ছি তবে গ্যাসচেম্বার খালি। ভয়ংকর নিঃশ্বাসের
খোকন বলল, মল্লিকদের বাগান থেকে আঁখ চুরি করতে হবে। মনা বলল, বাগানে মালী থাকে।ষন্ডামার্কা লোকটা নাকি হেসো ছুঁড়ে মারে। সন্তোষ বলল, অত ভয় পেলে চলে? স্বপন বলল, ও সপ্তাহে আমরা
মায়া ঘেরা ছায়া ঘেরা রূপের নেইকো শেষ আমার জন্ম দোহার সেথা কল্পনার রেশ। আজও ভুলি নাই মোর শৈশব পল্লি জননী আমায় এখনো হাতছানি দেয় প্রাণের সজনী। ছলছল কলকল শব্দে বইতো
চাল খাবো ডাল খাবো গরম ভাতে ঘি আস্ত বাজার গিলে খাবো খাবো কতো কি! ঝিঙে খাবো ফিঙে হয়ে উড়বো ডালে ডালে ইষ্টি কুটুম হয়ে ডাকবো ঘরের চালে চালে তেল খাবো
যতো দূরে থাকো প্রিয় ভালোবাসা জানিও কিছুই চাই না বন্ধু ওগো শুধু মনটা আনিও।। ভালোবাসা মিছে আশা সবাই ক্যান কয় গো যদি তোমায় আমি হারাই মনে শুধু ভয় গো। ভেঙো
উচ্চস্বরে আওয়াজ তুলে জোকার সেজে ঘুরে! হাতে হাতে দিচ্ছে তালি হকার হয়ে দূরে। সত্য মিথ্যা পাশাপাশি কথায় কথায় জেরা, বলতে পারে ওরা কথা আমি সবার সেরা। শত শত মিথ্যে বলে
দূর গগনে মিটিমিটি জ্বলছে হাজার তারা, দূর গগনে ঝাপসা আলোয় জ্বালায় বাতি যারা। দূর গগনে ধোয়া ধোয়া কুয়াশাতে ভরা, দূর গগনে ওপার থেকে দেখছে যাদের ওরা। দূর গগনের আলোর রশ্মি