বছর ঘুরে প্রতিবারে বই মেলাটা আসে, নবীন কবির মনের গাঙে স্বপ্নগুলো ভাসে। মন বিলাসে নবীন কবি ছাপতে দিলো বই, মনে মনে খেতে থাকে মিষ্টি কলা দই। কবির ঘরে সারাবছর অভাব
দৃষ্টিসীমাতে আনাগোনা তাঁর নিশিতে মুগ্ধ করে, শাণিত পরানে ভালোবাসা আনে জলের মতোন করে। তাঁর চপলতা হৃদয়ে জাগায় তীক্ষ্ণ তীব্র তাড়ন, বশীকরণের কল্পিত জাদু মানে নাতো কোন বারণ। ‘ভালোবাসি’ বলে আহ্বাদি
বিলাসী জীবন যাপন করতে কার না ভালো লাগে। এই যেমন ঘুমের সকালে কেউ ঢেকে বলল এই উঠো চা নাস্তা রেডি। কিন্তু ঘুম ভেঙে উঠে খাওয়ার ইচ্ছেটুকুও করে না তখন। আর
নাই বা শোনলে আর কষ্টের কথা নতুন করে, স্মৃতিটুকু থাক স্মৃতি দিয়ে ঘেরা মম অন্তরে। যে গেছে পুত ভালোবাসার মম পিঞ্জর ছিড়ে, নাই বা ডাকলে গো আর তারে ব্যথার নীড়ে।
নারী তুমি জ্বলতে পারো প্রখর অগ্নিতাপে সইতে পারো নীরবে সমস্ত ব্যাথা। নারী তুমি আকাশ সমান পীড়া বুকে নিয়ে হাসিমুখে কইতে পারো কতো কথা। নারী তুমি ছাড়তে পারো বাপের ভিটেমাটি সাজাতে
ফিলিস্তিনের সাথে আজ চলছে অবিচার, তাদের কষ্টে সবার মন হচ্ছে যে ছারখার! জেগে ওঠো হে বিশ্ববাসী, জেগে ওঠো মুসলমান, প্রতিরোধ গড়ি সবাই, করি অবিচার
এই যে সাঁঝবাতি, বিষন্ন সন্ধ্যায় বাংলা এম,এর ক্লাসে থার্ড বেঞ্চের কোনে বসা লম্বা চুল ছেলেটিকে মনে পড়ে কী, তোমার ঢেউ ঢেউ কেশরাশি, কাব্যিক চলার ছন্দ দেখে, প্রথম দিনেই বুঝেছিলাম, আমার
সন্ধেবেলা জংলা পনার মনোহর রূপ, নিত্যই হৃদয় কেড়ে নেয় নানান রূপে, শোভাশ সুন্দর বিভাসিত পৃথিবীর রূপে, আকুল ভাবনায় দোল খেলে বিবেক তুপে । আঁধার রাতে বনঝোপ ঘিরে জোনাকির খেলা, আকাশ
চলে যায় কী অবহেলায় পারিনা সাজাতে তাকে স্মৃতিরা নিত্যই বেঁধে রাখে। জানার ছিল কতো, হয় না জানা তোমাকে আবিস্কারের নেশা ছিল মনে, ভালোবাসা দেয়া নেয়ার ছিল, হয়নি তাও দর্শন অপেক্ষা
চাকুরীটা আর তুমি দুটোকেই অতি কষ্টে ধরে রেখেছি আজও যন্ত্রণা আর চাকুরীতে পার্থক্য কোথায় যেমন পার্থক্য নেই তোমাতে আর যন্ত্রণায়। দীর্ঘদিন চাকুরীর দাসত্ব করেও তার মন পাইনি যেমন করে বুঝতে