আমার না,কি যে হয়েছে ; কিচ্ছু বুঝি না! পাড়াপড়শি কয় জিনে ধরেছে, ঘরের মানুষ কয় তাবিজ করেছে। আসলে আমি’ই জানি,আমার কি হয়েছে। মুখ ফুটিয়ে বলি না, নিয়ম মেনে চলি না,
পৃথিবীর সব রং ছাপিয়ে যেতে পারে তোমার সুকৌশল মিষ্টি হাসিতে, এমন পাতা ঝড়ার দিনে বৃষ্টির আগমন তুমিও ঝড়ে গেলে মনেরই অজান্তে। তোমার বসন্ত বিলাসে বাকরুদ্ধ হয়েছি মনের দামে চিনেছো কি
আয় ভাইয়েরা, আয় বোনেরা মামার বাড়ি যায় সারাদিন ঘুরি ফিরি তাইরে নাইরে নাই। মামা, মামী আদর করে মন প্রাণ দিয়ে নানা ভাই বাড়ি আসে রসের হাড়ি নিয়ে। মামার বাড়ির গাছের
কাশেম বিন আবুবকরের নাম অনেকেই শুনে নি, এমনকি অনেকেই তার বই পড়ে নাই এমন মানুষ অনেক আছে। তবুও তিনি বাংলাদেশের একজন সফল লেখক, যার নাম সারা দুনিয়ায় প্রচারিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই
এই দেখো ! জতুগৃহে মাতৃযন্ত্রণা ছুঁয়ে এসেছি, শতবর্ষার জলে ভিজে বহু বসন্তের পরাগে নিষিক্ত করেছি স্বপ্নরাগ, উজ্জীবিত প্রাণে তোমার কাছে ফিরে এসেছি তুমি ফিরিয়ে দিও না যেন। নাতিদীর্ঘ কবিতার শ্লোকে
কিছু হয় বা না হয় মাঝে মধ্যেই কিছু লিখি অবচেতন মনে সে সব লিখা কেউ একজন গুছিয়ে রাখে, অনেক কিছুই লিখে ফেলি! কিন্তু একটি কথা খুব সযতনে এড়িয়ে যাই, কি
১৯৫২ হতে ১৯৭১ স্বীয় সত্ত্বার পরিচয় তোমার আমার, ভুলে যাও কেন রক্তে কেনা অশ্রু ভেজা অতীত সবার। ইতিহাসের পাঠ না করেই খুঁজো তুমি কার কী ইতিহাস, ধ্বজা বহন করতে জানতে
হঠাৎ একটা মজার গল্প পড়ল আমার মনে , লিখছি তাই লেখার নেশায় পড়ুক আপনজনে । কিশোর বেলায় ব্যান্ড পার্টির দলে ছিলাম আমি , এ গল্প ভীষণ সত্যি জানে অন্তর্যামী ।
ওগো মোর কল্পনার সারথি, কি কর তুমি? তুমি কি নিশি জাগা কৃষ্ণকলি? রাত গভীরে জেগে থাকা চাঁদ, পাবার আশে হলে নিশি পরী। জ্যোছনার সাথে করো মিতালী। জানো সখী? আমি’ই সেই
এখন আর তোমার কালো শাড়ির আঁচলে আবেগের অনুভূতি নেই, পথচলার বাঁকে বাঁকে যন্ত্রণাদের আনাগোনা…. জানিনা কবে শেষবার সবভুলে তোমার হাত ধরে রেললাইনে হেঁটে ছিলাম নাকি আজ? তুমি কি সুন্দর পিচঢালা