মজেছি মায়ায় আসি তাজ্জব ধরাতে, নিজ খোঁজ রাখি নাই মোহেতে ডুবিয়া। হইতেছে জরজর ঘুণ ধরে হিয়া, বিভোরে ভুলেছি সময় নেই বেশি হাতে। কুদরতি ইশারায় মানব কায়াতে, মূলধন,হীরা সোনা দিয়েছে ভরিয়া।
শুনছি বসে দাদির পাশে চাঁদের বুড়ির গল্প, দেখছি চেয়ে চাঁদের বুড়ির গল্প নয়তো কল্প। চাঁদের বুড়ির অনেক বয়স শুনছি ছোট্ট থেকে, রূপ কথাটা সত্যিই হলো চাঁদের বুড়ি দেখে। চাঁদের বুড়ির
মধুর শৈশব লাগাম টেনে স্মৃতির মায়ায় ভাসে, মনের মাঝে উঠলে জেগে অশ্রু চোখে আসে। শৈশবের সেই রঙিন স্বপ্ন আছে স্মৃতির মাঝে, আমোদ ফুর্তি খুশির দোলা ছিলো সকল সাঁঝে। নির্লিপ্ত মন
শেষ হলো যে মহা উৎসব তিন দিন উদযাপিতে, একটি গরু একটি ছাগল রবের সন্তুষ্টিতে। বাবার বাড়ি ঈদের দিনে গরু দিলাম সবে, নিজের বাড়ি দ্বিতীয় দিন ছাগল দিলাম জবে। ভালোবাসার পশুটিকে
এবার রাজ্যে রাজা মহাশয় ঘোষনা দিলেন মন্ত্রীসভায়:- আমার বয়স হয়েছে দুনিয়া ধারী
আজকের আবহাওয়া ছিলো খুব বৈরী, আমার অনুপস্থিতি করেছে তৈরী। এভারেস্ট বিজয়ী বাবর আলী, শ্রোতাদের নিকট থেকে পেয়েছেন করতালি। তাঁর বিজয় গাঁথা অভিজ্ঞতা শিশুদের উদ্দেশ্যে করেন বর্ণনা, ভবিষ্যৎ জীবনে লক্ষ্যে পৌঁছাতে
দালাল চক্র পশুর হাটে ঘাপটি দিয়ে বসে, সুযোগ বুঝে গরুর মালিক নাটক সাজায় রসে। ফন্দি পাতে দিগুণ আশায় রাখাল সেজে আছে, সিন্ডিকেটের দলপতি ঘুরে আমার কাছে। প্রভুর বিধান মান্য করি
আজ থেকে প্রায় ১১০ বছর পূর্বে, অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী শিক্ষককে প্রশ্ন করে বীরদর্পে। স্যার, গরুর রচনা মানে কী? রাগত স্বরে শিক্ষক বলেন গরুর রচনা মুখস্থ বলো দেখি! জবাবে বলে
কাঞ্চন-করতোয়ার ভরা রূপ যৌবন বিল ঝিলে বক শালিকের যুগল বিনোদন চিত্রক চন্দনে বহমান পোট্রেট নিদারুণ ভৈরবী ভূপালি রাগেশ্রী মালকোষ পাহাড়ের প্রসাধনী দিগন্ত আকাশ হুরিয়ান হাইম প্রাচীন সঙ্গীতে আচ্ছন্ন নাভিপদ্মে রহস্য
আমি আগে কি ছিলাম “”এখন কি হইলাম”” আবার পরে কি হইবো– জানতে চেয়ে তার বিচারে”” পড়তে চাইনা হাতকড়া সে আমায় দিবে শেষে— ইবলিশের আসামী বানাইয়া।। ইচ্ছে মতো বিচার কইরা”” দিবে