বোনটি আমার খুব আদরের আয়শা যে নাম তার দুঃখ সুখে আস্থা আমার তার কাছে শেষ ধার । কলেজ যাওয়া আরতো ঘুরে কাটে আমার দিন বাপ আছে আর বোনটি সাথে তাদের
নারী-পুরুষ যা ই হোক, আমরা মানুষ আর- মানুষ মাত্রই কিছু স্বপ্ন থাকে,, নিজ পরিচয়ে পরিচিত হবার ,, আর্থ-সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হবার,, পারিবারিক সুখ স্বাচ্চন্দ্য ফিরিয়ে আনার । স্বপ্ন থাকে,,, ভালবাসার
জীবনের পথে যত আনন্দের ছোঁয়া, তবু কোথাও যেন লুকিয়ে থাকে ব্যথার ছায়া। প্রেমের গভীরে হারিয়ে যায় মন, তবু সময়ের স্রোতে ভেসে যায় জীবন। চোখের জলে ভেজা রাতে, মনে পড়ে পুরনো
তুমি নামের শব্দটা আমার পরানে সংযোজন হওয়ার পর থেকে আমি উন্মাদ, কিন্ত তোমার সমস্ত চিন্তা, প্রতিটি শব্দের ভাঁজ – অস্থির মনের ভাব প্রকাশ করে আমি বিহীন। তোমার প্রতিটি সিদ্ধান্ত আমি
ভদ্রলোকে ভরে গেছে দেশটা, সেই দুঃখে সমাজ হয়ে গেছে নষ্টা। ভিতরে মাকাল উপরে সাজের বাহার। কোথায় পাওয়া যাবে, একটা ভালো মন, খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত সবার মন সব অসুখী মানুষ, চোখের
বাবা কথা বলে না যে আমার সাথে আড়ি? রাগ করে কি বসে আছো আসছো না যে বাড়ি! তুমি এলে খাবার খাব যাব ফুলের বাকে, তোমায় ভালোবাসি বাবা বলছি আমি মাকে।
তোমাকে বুঝতে গিয়ে আমি ফিরে গেছি পেছনে বহুবার, জানতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছে আমার ভবিষ্যৎ চিন্তা বারংবার। কতোকাল ধরে ভেবেছি কেনো এই অহেতুক বেচেঁ থাকা, কতোবার বিশ্লেষন করেছি দেখেছি বাস্তবে সবটাই
ভালোবেসেই অতি যত্নে আমাকে কাঁদিয়েছো! ইস তবুও তোমাকে ভুলতে পারি না, কতইনা বোকা আমি! তোমার ছলনাকে মায়া ভেবে আগলে রেখেছি। মাঝে মাঝে মনে হয় সেই আগের তুমি’কে যদি একটি বার
অ – অনিয়মই যেনো নিয়ম এখন আ – আশেপাশে সর্বত্রই তাই বিভীষিকাময় ই – ইংগিতে চলে কার সবই কিন্তু পরিস্কার । ঈ – ঈশান কোণে মেঘ দেখে উ – উঠে
এ দেহের খতিয়ান আজ তোমাকেই দেবো নন্দিনী খুলে খুলে খুঁজে নাও সব। আমার এই চোখগুলো খুলে নাও, গুনে দেখো কতবার তোমাকে চেয়ে দেখেছে নিবিড় ভালোবাসায় গুনে দেখো কতবার তোমাকে আহ্বান