যখন বদলে যায়, জীবনের চারণভূমি! তুমিও বদলে যাও! তুলে দাও সম্পর্কের মানচিত্রে,পাহাড় সম দীর্ঘ প্রাচীর! বদলে যায়, সবুজ অরণ্য, গেরুয়া রঙের মিছিলে। শীতের জীর্ণ শীর্ণ, বিবর্ন, ঝরা পাতারা খসে পড়ে,
তুমি ছুঁয়ে দিলেই আমি পাখি হয়ে যাবো! অসীম নীলিমায় ডানা মেলে দেবো সুদর্শন বকের শুভ্রতায়। তুমি ছুঁয়ে দিলেই আমি হবো প্রজাপতি, রঙিন প্রচ্ছদে আকাঁ অনুরাগের আয়না! তুমি ছুঁয়ে দিলে আমি
মায়ের বন্দনা – কাজী নাছিমা সাথী ************************* মা- মানেই জান্নাত মায়ের পদতলে হয় জান্নাত রচনা জীবদ্দশায় ই করো মায়ের বন্দনা মা – বিনে কবুল হয় না ইবাদত-বন্দেগী আর উপাসনা !!
আমি যখন নিথর দেহে পড়ে থাকবো লাশ হয়ে , জীবনের সব শব্দ থেমে যাবে নিঃশ্বাসের পাশে, সেই নীরব মুহূর্তে— তুমি কি একটু থামবে? একবার শুধু মনে করবে, এই মানুষটা কত
মাসটা যাচ্ছে বছর যাচ্ছে দেখতে দেখতে ভাই, ধরার মায়ায় পড়ে আছি মরণ ভাবনা নাই। সবাই আছে এই ধরাতে অতিথির ওই বেশে, হঠাৎ করেই যেতেই হবে নতুন কোনো দেশে। মরণ থেকে
হেমন্তের শেষ সন্ধ্যায় প্রেক্ষাগৃহে যখন থই থই ভীড় ঠাসা, আর সকলের চোখ গুলো যেন মঞ্চজুড়ে রঙিন লাইটের মতো ঘুরছে। চেনা অচেনা মানুষের ভীড়ে আমার চোখ দুটো তখন আটকে গেল ঠিক
ওরা দাঁড়িয়ে আছে প্রলয়ের ঠিক আগমুহূর্তে যেন সময়ের গায়ে কারো গোপন আঙুল ছুঁয়ে দিয়েছে পাহাড়চূড়ার কালো মেঘ থেকে বৃষ্টি নামে না, কেবল ঝরে পড়ে বুকের ক্ষত, মানুষের ভুল, আর ছায়ার
নারী তুমি কামাতুর পুরুষের কাছে যেওনা, ওরা তোমায় প্রেম দেবেনা, দেবে জ্বালা যন্ত্রণা এবং তোমাকে শেষ করতেই তোমার রুপসুধা পান করবে ! ভালোবাসার ছলনায় তোমাকে লুটেপুটে খাবে। অপাত্রে প্রেম ভিক্ষা
নাওয়া খাওয়া ভুলে গিয়েহাঁটে মাঠে ঘাটে গিয়াআমি কাটালাম মধুর জীবন,বন্ধু রে আমার চঞ্চলা ঐইই,,,শিশু মন গেলো কই এখন।। মাঘের শীতে বাঘের গায়েদারুণ কাঁপন তুলে,ভোরের পাখি ডাকে ডালেমা’য়ে কয় যাসনে বাহিরে,নাইতে
কে তুমি কি নাম বলো দেখি শুনিí পাড়ার সবাই দেখে তোমায় করছে কানাকানি। কে তুমি কোথায় বাসা পড় তুমি কিসে ফিসফিসিয়ে বলে যাও আমার কানের পাশে। কে তুমি কালো কেশী