আমরা অনেক কিছুই তো ছুঁতে পারি না, এ যেমন আকাশের তারা, ফেলে আসা শৈশবের বিকেল, অথবা কোনো প্রিয় মুহূর্তের উষ্ণতা। ইচ্ছে করলেই ছুঁতে পারি না চাঁদের আলো, ধরে রাখতে পারি
ওরা বাড়ি ফিরছিলো কখনো দৌড়ে কখনো হেঁটে একটা বিষাদনদীর বুক চিরে এগুচ্ছিলো অনেকদূর কিন্তু ওদের মনে হলো কত কাছে পৃথিবীর বিখ্যাত সব শহর থেকে স্মৃতিস্বপ্নের ঝুড়িভর্তি শব্দ নিয়ে ছুটছিলো পেছনে
সবুজ ঘাসের বুকে জমে ওঠে ফুটবল মেলা, ইতিহাস আর ঐতিহ্যে ঘেরা এই তো শ্রেষ্ঠ খেলা! পায়ের জাদুতে বিশ্ব কাঁপে, জাগে কোটি কোটি প্রাণ, বিশ্বকাপের মঞ্চে ওড়ে বিজয়ী দেশের গান। পাঁচবার
জানো আমি কিসে ভয় পাই? না বললে কি করে বুঝব আমি অভিমানে অবহেলায় আর একাকীত্ব ভয় পাই। আমি একা থাকতেই পারিনা মানুষ কেমনে একলা থাকে আমার তো একা থাকার কথা
মনের গহীনে রেখেছি তোমাকে পলকে পলকে চাহিয়া তোয়ারে নিশীথ রাতে দাঁড়িয়ে দোয়ারে প্রতিক্ষা করি হৃদয়ের হৃদয়ে। কেমনে আসো তুমি বিজলীর মতো ভাবনার থাকি তখন মগ্ন যতো হৃদয়ে তুলপাড় করে হয়
গ্রামের কোণে থাকত বেঁচে এক কুচক্রী বুড়ি, সবার মাঝে খুঁত খুঁজতে করত হুড়াহুড়ি। নতুন বউয়ের খবর পেলেই ছুটত বুড়ি আগে, পাকা চুলে ঘোমটা টেনে বসত অনুরাগে। বউটি দেখেই মুখ বাঁকিয়ে
ঢাকা, ৭ জুন ২০২৬: ঝকমকে আলো, কবিতা আর ছন্দের এক নান্দনিক আবহ তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা হলে। গত ৬ জুন (শনিবার) সেখানে অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে
গভীর ভালোবাসায় স্পর্শ থাকে না, তবুও মানুষটিকে ভাবলেই, অকারণে ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে, তার সামান্য কষ্টেও বুকের ভেতর নামে অদৃশ্য ঝড়। সে ভালোবাসা উচ্চারণের নয়, অনুভবের। সেখানে দূরত্ব পরাজিত হয়,
চাকরি থেকে পেলাম অবসর, তাই আপন জ্ঞাতির সাথে বাঁধি ঘর। সময় পেলেই নেই তাঁদের খোঁজ খবর। কারণ তাঁরাই মোর অন্তরের অন্তর, শিক্ষক শিক্ষার্থীর জন্য ভালবাসা মোর নিরন্তর। পানি ছাড়া যেমন
সবেমাত্র সাত বছর বয়স, দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে, মিষ্টি হাসি মুখে নিয়ে যেতো সে যে ইস্কুলে। সকাল দশটায় মা যখন খুঁজছে ব্যাকুল মনে, পিশাচ তখন মেতে উঠেছে পাশবিক উল্লাসে। পাশের ফ্ল্যাটের