এই শহরটা এখন আর আগের মতো নেই, তোমার অনুপস্থিতিতে, সেও যেন নিঃস্ব হয়ে গেছে। যে বেঞ্চটায় একদিন বিকেল থেমে থাকত, সেখানে এখন নীরবতা বাস করে। হর্ন বাজে, দোকান খোলে, মানুষের
আমি ফিরে যাই বারবার—ঐ পাহাড়টির টানে।একাকিত্ব যখনআমার কাঁধে অবতরণ করে,মানুষের কোলাহলওতখন অনাথ লাগে। পাহাড় দাঁড়িয়ে থাকে—সহস্রাব্দের ধৈর্য ধারণ করে,ঠিক আমার নীরব ক্লান্তিরসমান উচ্চতায়। মানুষের কাছে প্রতিটি বেদনারজবানবন্দি দিতে হয়।তাই ইদানীং
অন্তরাত্মায় প্রেমের রাজত্ব, প্রতিদিন নয়া প্রেম হাবুডুবু খায়। ভোরে প্রাতভ্রমণে ফুল পরী, বকুল তলে আসে ফুল কুড়াতে। নাদুসনুদুস তুলতুলে সুউচ্চ, বক্ষ মেলে সটান করে দাড়ায়। চোখ দুটো আরে-ভিড়ে, মাদকতার লোলুপ
জীবনের এই গন্তব্যহীন পথে চলতে চলতে শরীর আর মন আজ বড্ড ক্লান্ত। চারপাশের শত শত মানুষের ভিড়ে প্রতিনিয়ত ভালো থাকার এক মিথ্যে অভিনয় করে যাওয়া। বুকের ভেতর দুঃখের পাহাড় চেপে
“আইন কিংবা শিক্ষকতার বাস্তবতার গণ্ডি পেরিয়ে, যিনি জীবন ও সমাজের চেনা-অচেনা মায়াবৃত্তকে কলমের কালিতে রূপ দেন এক চিরন্তন উপাখ্যানে।” বাংলা সাহিত্যের আকাশে আপন আলোয় ভাস্বর এক নাম জেবুন্নেছা জেবু (জেবুন্নেছা
নিজস্ব প্রতিবেদক: আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও নান্দনিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে মাটির সুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে চড়ুইভাতি, নৌভ্রমণ ও সাহিত্য আড্ডা। এতে সংগঠনের সদস্য, সাহিত্যপ্রেমী ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিরা
ভূমিকা: সাহিত্যের ব্যাকরণ ও নতুন ধারার অভ্যুদয় সাহিত্যের ইতিহাস কোনো স্থির নদী নয়; তা মূলত মানুষের সমাজ-সংগ্রাম, রাষ্ট্রীয় ভাঙাগড়া এবং সাংস্কৃতিক বিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এক গতিশীল ধারা। একটি নির্দিষ্ট
সমাজটা এখন চরম অন্ধত্বের চাদরে পড়েছে ঢাকা সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অমানবিকতার বীভৎস চিত্র আঁকা। অধিকাংশের হ্নদ মাঝে মানবিকতার ছিটে ফোঁটা নেই,সবটাই ফাঁকা নুন আনতে যাদের পান্তা ফুরোয় এতটুকু পাল্টায় না
তুমি কি জানো, আমি এক অনন্ত শান্ত সকাল? যেখানে চোখ মেললেই অনুভব করবে মহাবিশ্বের আদিমতম শীতলতা। এক ফালি নরম বাতাস মৃদ্যু আঙুলে আলতো করে ছুঁয়ে যাবে তোমার জানালার নীল কাপড়,
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক আল মুজাহিদী আজ শুক্রবার (১৯ জুন