নারী তুমি নষ্টা, তুমি বেশ্যা, তুমি রাতের রানী তুমি সমাজপতিদের চোখে নোংরা আর্বজনা, তোমায় তৈরীতে নেপথ্যের নায়ক যারা, তারাই সমাজ সেবক সমাজের উচ্চপদস্থ লোক মুখোশ পরা ভয়ানক দানব রূপি অমানুষ।
কতো মাছ ধরেছি আমি এক বয়সে, এসব এখন কায়েম হয়ে গেছে! সেই কাল এখন আর নেই একালে! শুনলে কথা থমকে উঠে একালের পোলাপাইনে আজব মনে করে! পাখির ছানা ধরতে মান্দার
চলে যায় কত শীত বসন্ত স্মৃতিরপাতা থেকে.. কখন যেন এসে দাঁড়ালে নিঃশব্দে পাশে, পরন্ত বিকেলে গোধূলির রঙে বেলাভূমিতে ডুবে আছি ভাবনার অতলে,চমকে দিয়ে তুমি বললে,হাত বাড়িয়ে দাও… হাত পেতে দিলাম
এখন অন্ধকার ভয় আর অস্হিরতার প্রতীক নয় আমুদে অন্ধকারে আলো ছড়ায় ঝাড়বাতি অসংখ্য ফড়িং ভীড় করে, চলে তাদের নৃত্য -গীতি। নৃত্যের তালে হেলেদুলে উঠে কামুক-কামুকীর আবেগ আবেশিত দেহ ভাষা, অন্ধকারকে
কওতো তোমারে কি ভুইলা থাকন যায়? আন্ধার রাইতে আমার আন্ধার ঘর আলো কইরা রাখতো যে মানুষ টায়, সোহাগের সলতা দিয়া যে জ্বালাই দিতো আলোর বাত্তি হেই মানুষটারে কি ভুইলা থাকন
সাম্প্রতিক কালে বাংলাসাহিত্য না-কি নতুন ভার্চ্যুয়াল জগতের এক নতুন রেনেসাঁর যোগ এনে দিয়েছে। ফেইসবুকের এক অভাবনীয় সাফল্যের সুযোগে যে কেউ কোন একটা লিখে ফেলতে পারে, লেখাটি কতোটা মানসম্মত পাঠক সমাদৃত
আমাদের সবার জীবনে কিছু না কিছু একাকিত্বের দিনগুলো প্রবাহমান রচেই চলেছে কোনো না কোনো তালবাহানায়! এ-যে নিত্যকার খেলা নিয়তির তোমায় আমায় নিয়ে! ধুলোপড়া অভিলেখাগারের জানালায় উঁকি ঝুঁকি দিয়ে দেখতে পাই,
মানবতা গুমরে গুমরে কাঁদছে আজ রাস্তার অলিতে-গলিতে বিক্রি হচ্ছে বিবেক আবেগ যেন নির্বাসনে। সহানুভূতি বস্তাবন্দি নদীর অতলে তাকে জাগাতে পারছেনা ডুবছে তো ডুবছেই কে ভাসাবে তাকে কোথায় সেই নাবিক আজও
চেনা শহরের মতো আমার মনের অলিগলি পথ ঘাট ঘুরে বেড়িয়েছো অনায়াসে সেখানে ছিল না কোন ঝোপঝাড় লতাগুল্ম ছিল না কোন ব্যারিকেড। স্বচ্ছ কাঁচের মতো মসৃণ পথে বহু দূরে হেটে এসে
কোনো এক নিঝুম রাত্রিতে ঘুমিয়ে পড়েছে পৃথিবী, নির্জন সেই জনারণ্যে শুধুই তুমি আমি ,আমাদের কবিতা । কখনও প্রেম কখনও দুঃখবিলাস বৃষ্টির ধারায় মনের চিলেকোঠায়, যেখানে শুধুই তুমি আমি অবিরাম বর্ষণ