প্রতিদিন ভাবি আমি নামাজের শেষে, মোনাজাত করে কাঁদি ফকিরের বেশে। হালাল রুজি খেলাম কি দিলাম কত দান? যাকাত ফিতরা হয়েছে রাখিনি যে মান। জীবন থেকে সময় যায় ধরে রাখা দায়,
অভিমানী মেয়ে, যার হাসিতে লুকানো গল্প, শূন্যতা, বিষাদ, জোছনার রাতে বেজে ওঠে, মৃদু সুরে। সে হাঁটে, জীবনের এক অপূর্ণ পথে, মেঘের ছায়ায়, যেমন চাঁদ হারায়, নক্ষত্রের মধ্যে। অভিমানী মেয়ে, চোখের
অবলা নারীর মতো কাঠ খুব চুপচাপ, কখনও দেয়না অযাচিত লাফ পেরেক ঢোকাও অথবা আগুনে পোড়াও, দ্বিধাহীন মেনে নেয় সব উত্তাপ। এতই নিরীহ, তুমি যদি তার পেটে গুঁজে দাও পচা গলা
মামুন বিন হারুন ময়মনসিং প্রতিনিধি: গত ২৬.১০.২০২৪ তারিখ রোজ শনিবার ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট, ঢাকায় উদযাপিত “জাতীয় কবিতা মঞ্চ ও ইরানী দূতাবাস” কালচারাল সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত পোয়েট্রি ফর ফিলিস্তিন কবিতা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী
এম.এ.মান্নান.মান্না: পালিত হয়ে গেল পোয়েট্রি ফর ফিলিস্তিন কনফারেন্স। ২৬ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখ, শনিবার বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত, ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট (শাহবাগ)। ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান দূতাবাস
ছুঁই ছুঁই সন্ধ্যায়, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টিএসসি থেকে শহিদ মিনারের পথে হাঁটছি নির্জন চারপাশ, জ্বলে উঠছে আলোর গাছ উন্মুল বাতাসে, পঞ্চাশ কদম এগোতেই পিছন থেকে কেউ ডাকল, ‘দাঁড়াও’। . আঁৎকে উঠলেও
অধিকারে কাটতে ফোড়ন তুই কেরে হে অধম পাপী! নারীর গর্ভে জন্মেছিলি গেছিস ভুলে? অপরাধী! নারীর পায়ে দিয়ে বেড়ি কি ভেবেছিস?একলা খাবি? বাজে ভাষায় গালি দিয়ে বারে বারে পার তুই পাবি!
হঠাৎ করে হারু মিয়া হয়ে গেলো কবি। মনের মতো অবিরত লিখে চলে সবই। আগের চরণ, পরের চরণ ভিন্ন আকার ভিন্ন ধরণ! ভাব মেলে না বাক্যের মাঝে। হারু মানতে রাজি না
সবাই বলত,তোর কিস্যু হবে না। মন খারাপ হোত সুজনের।মন খারাপ হলে,ও নদীর কাছে যেত, সবুজ ধানক্ষেতে হেঁটে যেত। মাঝে মাঝে ঘর ছেড়ে উদাস বাউলের মতো অজানা নগরীর পথে হেঁটে যেত,
সেদিনের সেই সুঠাম দেহ আজ হারিয়ে গেল কই, সময়ের কি নির্মমতা আমি অবাক চেয়ে রই। দেখতে গেলে চশমা লাগে আজ হাটতে গেলে লাঠি , উজান চলা দেহখানি বয়সের ভারে ভাটি।