আমাদের প্রেমপাংশুল দুনিয়ায় তুমি আর নাই, ভেসে যায় নৌকা বোঝাই উজ্জ্বল টাইটেনিয়াম স্নায়ুবিকারের তোড়ে ওই নদী বয় হৃত-মাধুরীর, দাঁড়ের শব্দ শুনি শুধু বাদবাকি আবহ-বধির বাঁক শেষে মাটিয়া বুরুজ তারপর ধুলট
খুব তাড়াতাড়ি “ভালোবাসি”কথাটা বলতে নেই! “ভালোবাসি” শব্দটা একটা গণ্ডি, যেটা পেরোলেই গড়গড়িয়ে বয়স বাড়তে থাকে প্রেমের! আসলে অন্যসব জীবের মতো প্রেমেরও একটা জীবন চক্র আছে! যদিও তুমি বলবে, “প্রেম” আবার
আমরা যখন শিশু ছিলাম করতো মায়ে যতন, মায়ের কাছে ছিলাম সদা হিরা মানিক রতন। আদর স্নেহ ভরা হাতে ভাত দিতো মা মুখে, মাথার ওপর হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়াতো বুকে। জন্ম
বারোটি দিন পার হলো আজ, বাবা অসুস্থ হয়ে দূরে, বিষাদমাখা দিনগুলো মোর কাটছে ব্যথার সুরে। আমার ‘অটো এলার্ম’ তিনি, ডাকতেন শেষ রাতে, তাহাজ্জুদ শেষে যেতাম ফজর পড়তে সাথে। একসাথে সব
আমি ফিরে আসবো প্রতিদিন ভোরের ভেজা শিশির হয়ে, রোদ্দুরভেজা দুপুর জুড়ে তোমার জানালায় আলো ছুঁয়ে। বিকেলের নরম হাওয়ায় ডাকবো তোমায় নামটি ধরে, সাঁঝের শেষে প্রদীপ হয়ে জ্বলবো নিভৃত অন্ধকারে। তুমি
(আমি) দেখিনা তার আসা-যাওয়া দেখিনা তার সুরত খান বুকের ভেতর বসত করে আমার লাইগা নাই রে টান।। কখন আসে কখন সে যায় অনুমতির নাই দরকার সকাল বিকাল পুষি তারে কোন
ইট পাথরের এই শহরে আমি বড্ড একা— ভীড়ের ভেতরেও নিঃসঙ্গতার অদৃশ্য দেয়াল তুলে দাঁড়িয়ে আছি। অসংখ্য মানুষের পায়ের শব্দ শুনি, তবু কেউ আমার জন্য থামে না, কেউ আমার চোখের ভাষা
আমরা যুবক আমরা তরুণ আমরা নবীর শান, খালিদ ওয়ালিদ ওমরের মতন রাখবো ধরে মান। হাসান হোসাইন মোদের নেতা যুব সমাজের তরী, জামায়াতের আমরা সৈনিক আদর্শ জীবন গড়ি। যুব বিভাগের আমরা
গহীন নির্জনে, স্মৃতি এসে কড়া নাড়ে, অনাহত মনের ঘরে— ধুলো-জমা আর্শিতে—বেহিসেবী জীবনের হালখাতা মেলে ধরে : জীবনের প্রথম পাতা, মাতৃ আদরে আদরে—কী যে যত্নে লেখা, মায়াবী চাঁদের জোছনায় ধুয়ে ধুয়ে
ভোর বেলাতে জাগছে তারা কাজ চালাতে দুই, মেশিন চলে খটখটানি স্বপ্ন বোনে সুই। হাজার রঙের সুতো দিয়ে কাপড়গুলো ধুই, নিজের সুখের বাগানটাতে রোপণ করি জুঁই। উঁচু বাড়ির সাহেব তারা আমরা