শ্রাবণের নীল আকাশে ভাসছে বসে মেঘে। নীল শাড়িটা আনবে বুঝি আমায় দেবে ভেট । শাড়ি পরে নীল হব যে আকাশ ছোঁয়ার আশায় আমায় দেখে আকাশ থেকে নামবে জলের ধারায়। বর্ষা
আজ লিখার নেশা হলো লিখতে লিখতে কখন যে সকাল সন্ধ্যা নিশি রাত ফেরিয়ে আদো আলো আদো রাতে পৌঁছালো তখন জানালার ফাঁক দিয়ে কন কনে শীতল সমিরন বইছিলো দুচোখের পাপড়ি তে
ভালো নেই দেশ, ভালো নেই কেউ, আজকাল দুঃশ্চিন্তায় কাটে দিবস-রাত্রি; বড্ডো বেহাল দিনকাল হাটে-মাঠে-ঘাটে বাটে। চারিদিকে ঘটে হত্যাযজ্ঞ, অপরাধ, চকিতে চলছে ‘মব’; ভেবে যাই যতো অন্তরে জাগে অবসাদ- মৃত্যুর উৎসব।
খুলনা আই ডব্লিউ লঞ্চঘাটে গিয়ে লঞ্চ পেলাম না। প্রাইমারি ছাড়িয়েছি কী ছাড়াইনি তখন। দাদা, আমি আর দিদি। বড়ো বোনের ননদের বিয়েতে যাচ্ছি। কী মুশকিল! লঞ্চ ছেড়ে গেছে খুলনা লঞ্চঘাট। দাদা
বসন্তের প্রথম ভোরে, হাওয়ার কানে কানে ফিসফিসানি – `এসেছে রঙের উৎসব, এসেছে আগুনের ফুল`। ঠিক পরম মুহূর্তে, গাঁয়ের মোড়ে, নদীর বাঁকে জেগে ওঠে কৃষ্ণচূড়া- যেন লাল মেঘ ছিঁড়ে ঝরে পড়েছে
আজো একা বসে ভাবছি তোকে নিয়ে স্মৃতিরা সব হারিয়ে গেছে তবে হৃদয়ের কোনে লুকিয়ে থাকা বিন্দু বিন্দু ভালো লাগা গুগো তোকে মনে করিয়ে দেয় বার বার। আর কেনই বা তোকে
যেখানে সত্যের গান গাইতে যাই— মাইকের ভেতর ঢুকে পড়ে রেকর্ডেড মিথ্যা। যেখানে আশার আলো জ্বালাতে যাই— বাতির সুতোর ভেতর ফেটে যায় শূন্যতা। অন্ধকার তখন নিজেকে সাজিয়ে তোলে আলোর নামে। আমি
পুরুষ মানুষের জীবন যেন এক অনন্ত যাত্রা— কোথাও থেমে নেই, শুধু নদীর মতো বয়ে চলা অজানা গন্তব্যের দিকে। তার মুখে হাসি থাকে, কিন্তু ভেতরে জমে থাকে হাজারো না বলা কান্না।
কি হতো আমার হাতটা ধরলে? তোমার এই স্পর্শ আমাকে আপ্লুত করতো তোমার এই স্পর্শ আমাকে শিহরিত করতো আবেগে আপ্লুত হয়ে বলতাম তোমাকে ভালোবাসি। কি হতো আমার হাতটা ধরলে? তোমার হাতে
প্রকৃতির নিয়মে আমি বয়ে চলি— ঠিক যেন নদী, সাগরের দিকে, তারপর সমুদ্রে, মহা সমুদ্রে… এই চলার যেন শেষ নেই। বাড়িতে এসে মা, বোন, সবাইকে রেখে আবার যাত্রা কর্মজীবনের পথে। লুকিয়ে