একটা মিথ্যেকে ঢাকতে হাজারটা মিথ্যা কথা বলতে হয় তবুও মানুষ মিথ্যা কথা বলে অনায়াসে অনর্গল যখন তখন। একবার অন্যায় করে শাস্তি না পেলে যেমন সাহস বেড়ে যায় তেমনি একবার মিথ্যাকে
শেষ হয়ে এলো মোর পাতা ঝরার দিন ফুটেছে তোমার শাখায় নতুন পাতা, মোর শিরদাঁড়া নুয়ে পড়ে বয়সী ভারে ধুয়ে ফেলি যতো প্রথাগত মলিনতা। কতো দিন কতো মূহুর্তরা দিয়েছে ফাঁকি হয়তো
ইচ্ছে ছিল রোদ ঝলমল কাঁচা হলুদ রোদে দেই উপহার ভালোবাসা নিছক প্রতিশোধে । রোদ্দুরে চুপ গা ভেজাবো তোমার সারাদিনে চকচকে রোদ ঝিলিক মারে ফেললে আমায় ঋণে।। মন ভালো নেই তাই
বিপ্লবী লাল সালাম, শক্তির প্রতীক, মুক্তির গান, দুর্জয় হৃদয় জাগ্রত, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায় দীপ্ত। ভাঙবে শৃঙ্খল, মিটবে ক্ষুধা, লড়াইয়ে জাগে নিপীড়িত বুকে, গর্জে ওঠে গনগন ভাষা, আলোর পথে অন্ধকার ভাঙা। রক্তে
শোষকেরে তোষামোদ করে লেখা করো বন্ধ গা বাঁচিয়ে লিখে হয়ে থেকোনা এখন অন্ধ। শোষকের দ্বার ভেঙ্গে করো আজ চুরমার তবেই এ সমাজ জাতি হয়ে যাবেনা অসার। এ সমাজ,জাতি যে আজ
সংকীর্ণ মানসিকতার,গন্ডিতে যাঁরা আবদ্ধ, আর যাই হোক,ভালোবাসা হয়না। এক সাথে থাকা,দূরে থাক,এক সাথে,চলাও যায় না। সাহিত্য সংস্কৃতির,ধারক বাহক হয়ে, থাকবো অনন্তকাল, সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে আমার জন্ম। বাবা-মা কে দেখেছি,তাদের জীবন চরিত,
শোষকেরে তোষামোদ করে লেখা করো বন্ধ গা বাঁচিয়ে লিখে হয়ে থেকোনা এখন অন্ধ। শোষকের দ্বার ভেঙ্গে করো আজ চুরমার তবেই এ সমাজ জাতি হয়ে যাবেনা অসার। এ সমাজ,জাতি যে আজ
আস সুফিয়ার সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের এক বছর মেয়াদী (জুন ২০২৪ থেকে জুন ২০২৫) কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। শাহনাজ পারভিনকে সভাপতি, গুলে জান্নাত আফরোজ কে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১
লাল -সবুজের পতাকাটা নিয়ে বিজয় বাংলা হাসে, “বঙ্গবন্ধু”গর্বের সাথে মহাকাশ পানে ভাসে। সম্যক সারি বিশ্ববাংলা রাখে গৌরব মান, গর্বে পদ্মা “মেট্রো” সেতু যে মোর বাংলার শান। ওই রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র পারমাণবিক
কোরবানিটা হয়না যেনো লোক দেখানো ভাই, প্রভুর খুশির জন্য মুসলিম কোরবানি দাও তাই। লোক দেখানো হয় গো যদি তোমার নিয়ত আজ, বনের পশু—–জবাই করতে পাওনা কেনো লাজ। সমাজে আজ নাম