দুচোখ আমার ঢুলছে ঘুমে চোখের পাতা নড়ে না এত্ত নাড়াই তবু আমার বন্ধ দুচোখ সরে না । মুখ জুড়ে তাই ঢালছি পানি, সেই পানি যায় কোন খানে আজ বিকেল আর
সকাল থেকেই মনটা ভালো নেই তৃপ্তির । সেই কাক ডাকা ভোর থেকে ঝম ঝম করে বৃষ্টি পরেই চলেছে । থামার কোন লক্ষন নেই। অবিরাম বৃষ্টি তৃপ্তিকে তেতিয়ে তুলল। একবার টিভি
জন্ম,মৃত্যু এবং বিবাহ কখন কি ভাবে, কোথায় হবে এটা সয়ং বিধাতা ছাড়া অন্য সবার অজানা। সুখ নামক সোনার হরিণ কার কাছে কখন ধরা দেবে আর কে তার নাগাল পাবে না
বাসন্তীকা, তুমি কেমন আছো, তোমাকে ছাড়া আমি ভালো নেই, তোমাকে ছাড়া আমি শূন্য, তোমাকে ছাড়া আমি বড্ড অসহায়। বাসন্তীকা তুমি আমাকে সেই দুরে রেখে , আজ কেমন আছো জানিনা, নিশ্চয়ই
সময় বয়ে যায়, কেটে যায় দিন আমি হীন তুমি জানি হয়েছো রঙিন, ফুল বাগিচায় কত ফুল ডাকে হাত ছানিতে লুফে নেয় প্রেম-প্রীতি জীবন খেয়াতে। রঙিন ভোমর তুমি নতুনত্বে চাকচিক্যের ভীড়ে,
বৃষ্টি ভেজা রাতের শহর,নীরব চৌদিক– নরম স্বরে আলাপণ মেঘের দ্বীপে, শুনশান নিঃশব্দ খেয়ায় ঢালে বিরহের জল মমতাময়ী আঁধার বিস্ময় চোখে তাকিয়ে দেখে। বৃষ্টি তোমাকে বলছি মান করো না– ভালোবাসার পল্লব
কুসুম কৌমার্য প্রেম ছিল,প্রেম ছিল নদীজলে,প্রেম-পুকুরের তলদেশে মুয়াজ্জিনের আযানের সুরে,ইট কাঠ পাথর ধূলিকণায়। জন্মসূত্র প্রেম আমার,কাঁটা মান্দারের ফুলে আঙুলের ছাপ ফুল তোলা সহজ নয়, রক্তাক্ত হয়ে ফিরেছি তবু প্রেম দিয়েছি
পঁচাকে ভাবেন পচা, খাসাকে বানাচ্ছেন খাঁচা। আপনি যা নন, তা কেন হতে চান? একজন বলেন স্যার লেখেন, বললাম আমি নাইট উপাধি পেলেন কখন? আরেকজন বলেন আপনি কী আমার খবর রাখেন?
জীবনের স্বরূপ স্রোতের অভিরূপ, বর্ণিল রঙে কখনো আনন্দধামে মাতে,কখনো বর্ণহীন সাদা কাগজের নৌকায় ভাসে– জীবন আগামী সময়ের অলিখিত বন্ধনে সঙ্গী হয় সঙ্গত বৃত্তে নানাবিদ শোভন-অশোভন নিত্য পরিক্রমার ছাউনিতে- পর্যালোচনায় একটি
জন্মেছিলে বলে ভবে তুমি কর্মের স্বাক্ষর রাখতে পেরেছিলে তোমার কর্ম তাই করেছে তোমাকে ইতিহাস আমরাও পেরেছি জানতে তোমায় তুমি সৈয়দ মীর জাফর আলী খাঁন হতে হয়েছো একদম সাচ্চা নাম মি.