আজব শহর বিশাল বহর লোকে বলে “ঢাকা”। এসে দেখি, ও-মা, এ-কী? পুরোটাই যে ফাঁকা! ক্ষণে ক্ষণে ভাবি মনে “ঢাকা” হলো কীসে? ঘুরি ফিরি ভেবে মরি পাই না কোনো দিশে! যারেই
ভুলে যাইনি এ-ই তপ্ত নগরীর বিভৎস রকমের প্রতারণা জালিয়াতি কিভাবে মানুষকে খামচে ধরে। ভুলে যাইনি এ-ই দেশের মরা মানুষগুলো কবর থেকে কিভাবে জেগে উঠে কেবলই ভোট এলে। ভুলে যাইনি কতো
পৃথিবী নাকি সভ্যতার শীর্ষে উঠে গেছে— বিজ্ঞানের রথ ছুটছে, আকাশ বিদীর্ণ করে যাচ্ছে মানুষের স্বপ্ন, লোহা আর কাঁচের শহর জ্বলজ্বল করছে আলোয়। কিন্তু বলো তো, কোথায় গেলো মানুষের শান্তি? কোথায়
বাঁচতে চাই একটি নিরাপদ পৃথিবীতে— যেখানে প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেওয়া যায়, থাকতে চাই না আর চার দেয়ালের চিলি-কোঠায়। স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে যে পথ পেরিয়ে এসেছি এতদূর, তবু কেন এই অবেলায়
ভুলে গেলাম মান-অভিমান ভুলে গেলাম দেয়া কষ্ট রসিক বন্ধু খবর নিস নইলে হবো নষ্ট। কষ্ট হলো সাতনরী হার। কষ্ট দিয়ে কী সুখ পেলি! কষ্ট নিয়ে করবো কি জীবন পার। কষ্ট
নীল আকাশের চাঁদের কিরণ দেখতে লাগে ভালো, পূর্বাকাশে উদিত সূর্য দুনিয়া করে দেয় আলো। ভোরের বাতাস স্নিদ্ধ সকাল পুলকিত করে মন, অগণিত তারা নক্ষত্র সৌন্দর্য বর্ধন করে গগণ। কত যে
ব্যথার এক অধ্যায় পেরিয়ে, শরীর লিখেছে এক যন্ত্রণার অনুচ্ছেদ। রক্তহীন রুগ্নতা কায়া যেনো রাত্রির অন্ধকার,, তবুও হৃদয়ে জেগেছিল এক পঙক্তি আলো আশার। জীবন মৃত্যুর সূক্ষ্ম দোলাচলে যখন, প্রত্যাশিত নির্ভরতার হাত
উত্তরা তুমি কেড়ে নিলে তাজা শত প্রাণ, জনগণের কাছে আজ তুমি রাক্ষুসী প্রমান। উত্তরা তুমি কেড়ে নিলে শত মায়ের বুক, দেখতে চাইনা তারা তোমার গুমরী মুখ। উত্তরা তুমি কেড়ে নিলে
দেশ আজ ছিন্নভিন্ন, শকুনে খাওয়া। শিশুর চিৎকার বাতাস ছিঁড়ে আসে, মায়ের বুক ফেটে যায়, বাবার চোখে রক্ত ঝরে। তবুও মন্ত্রীপাড়ার প্রাসাদে বাজে গান, চানাচুর ভাজা আর আমের জুসের মিষ্টি গন্ধে
সবুজের বুকে লাল বৃত্ত আমার দেশের পতাকা দেশ টাকে ভালবাসি চিরদিনই করবো রক্ষা। সবুজ সবুজ বন-বনান্তরে রঙিন প্রজাপতি ওড়ে, এদিক ওদিক ছোটে ফিঙে মাঠে গরু চড়ে। মাঠ ভরা সোনার ফসল