ভুলে গেছ কী!—পৃথিবীর দেহে প্রোথিত প্রেমের জলে মানুষের ভ্রূণবীজ নক্ষত্রের মতো অবাধ অগাধ! শাশ্বত নীরব, তুঁহু অন্তর্জলে— সত্য তুমি! অথচ কী জানি, তোমার আমার প্রেমে অবোধ হাহাকার! হতাশার চাদরে ঢাকা
ঘুর্ণিঝড় ‘ রেমাল’, করেছিল সকলকে বেসামাল। ক্ষতি হয়েছে অনেক হারিয়েছে অনেকেই জানমাল। মসজিদ আর বাড়ি এছাড়া ভয়ে কোথাও দেইনি পাড়ি। খবর নিয়েছি পাড়া প্রতিবেশীর, বর্নান দিতে কষ্ট হবে অপূরণীয় এই
একটু অভিমানে, তোমার কপালের কালোটিপ এই বর্ষা সকালে আমার মনে আঁকে বিষাদের প্রতিচ্ছবি! তোমার একটু অভিমানে, বৃষ্টি ছুঁয়ে দেখিনি,পারিনি লিখতে জল-নূপুরের কবিতা! তোমার একটু অভিমানে, বৃষ্টি ফোঁটায় খেলছে না শিশুরা
রেমাল যেন ঘূর্ণিপাকে রাক্ষুসে এক ঝড়, নদীর বুকে বিলীন হলো বসত বাড়ি ঘর। দানব রূপে ছোবল দিলো বিনাশ করে গেল, নদীর জলে আপন ভিটা বিলীন সবি হলো। স্রোতের পানে গোরু
অফিস ছুটির দিনে নানান জায়গা ঘুরে দেখি, নিশুতি রাত জেগে নির্ঘুম চোখে সবি লেখি। লেখার মাঝেই বৈচিত্র্যময় রূপটা তুলে ধরি, আপন ভাবনায় নিজের জ্ঞানে লিখতে চেষ্টা করি। তাইতো আমার ছুটির
পনের ষোলোটা পাত্রী দেখানোর পর ও কোন মেয়েই পছন্দ হয় না রায়হানের, মা বাবার মন রাখতেই মূলতঃ পাত্রী দেখা ….কিনতু এভাবে আর কতদিন নিজেই নিজের প্রতি বিরক্ত সাথে মা বাবা
আজ আকাশের বেজায় মন খারাপ’ আকাশে জমেছে অনেক বেদনার্ত বৈরাগ্য, থেমে থেমে আকাশের চোখ দিয়ে জল গড়াচ্ছে দমকা হওয়ায় বৃষ্টির সাজঘরে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখছি বৃষ্টির জল নূপুর’ ছিন্নভিন্ন চিন্তাগুলো জোড়া
একটা দানবীয় মহাঝড় দাও প্রভু, যে ঝড়টা আসে নাই এই দেশে কভু! রেমালের চেয়েও ভয়ংকর চারিদিকে গোড়া থেকে সব উপড়ে ফেলুক শেষে। যায় যদি যাক, ছিন্ন হয়েই যাক অনিয়মের সব
বৃষ্টির টুপ টাপ, রিমিঝম শব্দগুলো আমার ভিতরের আমিটাকে, ভরে তোলে ,ব্যকুলতায় কিন্তু আজ আমার ভিতরে স্তব্ধতা। সেই সব ঝড় কবলিত স্হানের মানুষদের প্রতি, হাহাকার করে ওঠে মন ভেসে যায়,হারিয়ে যায়
একই ধারায় ঝরছে বৃষ্টি প্রকৃতিতে প্রাণীকুল পেলো শান্তি মাঝে মাঝে এলোমেলো হাওয়া প্রকৃতির রূপ দেখে লাগেনা ক্লান্তি! মনের জগতে যোগ হলো বেশকিছু দিন পর অগণিত প্লাবন জল ছোঁয়া বাতাসে মনের